Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে রুপোর (Silver Price) বাজারে বড়সড় চমক। গত তিন মাসেই প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে রুপোর দাম। বর্তমানে এক কেজি রুপোর মূল্য পৌঁছেছে প্রায় তিন লক্ষ টাকার কাছাকাছি। স্বাভাবিকভাবেই এই মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিতে আগ্রহ বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে। অনেকে বিনিয়োগের কথা ভাবছেন, আবার কেউ গয়না কেনার পরিকল্পনাও করছেন। তবে সোনার মতোই রুপো কেনার ক্ষেত্রেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিশুদ্ধতা। সামান্য অসতর্ক হলেই আসল ভেবে নকল রুপো ঘরে চলে আসতে পারে।
সম্পূর্ণ খাঁটি নয় (Silver Price)
বাজারে যে রুপো পাওয়া যায়, তা বেশিরভাগ (Silver Price) ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ খাঁটি নয়। রুপোর গয়না বা সামগ্রীকে মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য সাধারণত তামা বা অন্যান্য ধাতু নির্দিষ্ট অনুপাতে মেশানো হয়। এই মিশ্রণ বৈধ এবং প্রয়োজনীয়। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী খরচ কমাতে অতিরিক্ত বা অনুপযুক্ত ধাতু মিশিয়ে দেন। এতে রুপোর গুণমান নষ্ট হয়, উজ্জ্বলতা কমে যায় এবং কিছুদিনের মধ্যেই গয়নার রং বিবর্ণ হতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হলমার্কিং পাওয়ার জন্য রুপোর মধ্যে তামার সঠিক অনুপাত থাকা বাধ্যতামূলক। এই মান বজায় না থাকলে রুপো আসল হলেও তার মান কমে যায়।

স্টার্লিং সিলভার (Silver Price)
সাধারণত রুপোর গয়না তৈরি হয় ৯২.৫ শতাংশ খাঁটি রুপো (Silver Price) দিয়ে, যাকে স্টার্লিং সিলভার বলা হয়। অর্থাৎ ১০০ গ্রাম ওজনের কোনও গয়নায় প্রায় ৯২.৫ গ্রাম বিশুদ্ধ রুপো থাকে, বাকি অংশ অন্যান্য ধাতু। এই অতিরিক্ত ধাতু গয়নাকে টেকসই করে তোলে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারে ৮০ শতাংশ বা তারও কম বিশুদ্ধতার রুপো বিক্রি করা হয়, যা ক্রেতাদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই কেনার সময় হলমার্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন: Electric Bill: শীতকালেও বাড়ছে ইলেকট্রিক বিল, কেন হয় এরকম?
শেয়ার বাজারে প্রভাব
এই সপ্তাহের প্রথম ট্রেডিং সেশনের পরে দ্বিতীয় ট্রেডিং সেশনেও পতনের ধারা অব্যাহত থাকলো। দেশের দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্সের এই ব্যাপক পতনের ফলে চিন্তার ভাঁজ লগ্নিকারীদের কপালে। বাজার বন্ধের আগে সেনসেক্স রয়েছে ৮২,১৮০.৪৭ পয়েন্টে।

আর নিফটি ফিফটি রয়েছে ২৫,২৩২.৫০ পয়েন্টে। এই পতনের পেছনে একাধিক কারণকে দায়ী করেছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। যার মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুল্ক হুমকি, বিদেশী বিনিয়োগ বেরিয়ে যাওয়ার মত প্রকৃষ্ট কারণ সমূহ।


