Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিধানসভার খাতায় করা সইয়ের সঙ্গে পুরনো স্বাক্ষরের গরমিল থাকার অভিযোগে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি (Kunal Ghosh)। বৃহস্পতিবার দুপুরে চৌরঙ্গীর নবনির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম এবং ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতির বাড়িতে হাজির হন সিআইডি আধিকারিকরা। সংবাদমাধ্যমকে আগে থেকে কিছু না জানিয়ে, অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হয়। সিআইডি-র এই বিশেষ দলটির সঙ্গে ছিলেন একজন হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ বা ‘হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্ট’।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে (Kunal Ghosh)
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের তরফে বিধানসভার সচিবকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের সামনে এই বিধায়কেরা যে সই করেছিলেন, তার সঙ্গে পরিষদীয় দলের ওই চিঠির স্বাক্ষরে স্পষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বা প্রধান সচিব এই সই-বিতর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়েই তদন্তে নামে সিআইডি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডি (Kunal Ghosh)
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডি যখন চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছায় তখন তিনি ঈদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাড়ির বাইরে ছিলেন। তবে তাঁর অনুপস্থিতিতেই হস্তলিপি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কাজ সারেন তদন্তকারীরা। পরে ভিডিও কলের মাধ্যমে সিআইডি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তৃণমূল বিধায়ক।

বাকিদের বাড়িতেও হানা সিআইডির
অন্যদিকে, একই কায়দায় বাকিদের বাড়িতেও হানা দেয় সিআইডি, যদিও কুণাল ঘোষের সঙ্গে গোয়েন্দাদের দেখা হয়নি বলেই সূত্রের খবর। সিআইডি-র এই অতি-গোপন অভিযানের কারণেই তদন্তের মুহূর্তের কোনো ছবি বা ভিডিও প্রাথমিকভাবে সামনে আসেনি। বিধায়কদের বিধানসভায় সশরীরে উপস্থিতি নিয়ে কোনো সংশয় না থাকলেও, পরিষদীয় চিঠির এই সই-বিভ্রাটের নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, এখন সেটাই খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। এ ছাড়া, সিআইডি গিয়েছিল ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম এবং ডোমজুড়ের বিধায়ক তাপস মাইতির বাড়িতেও।



