Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সরকারের পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে নাম বদলাল কন্যাশ্রী (Kanyaratna Diwas) প্রকল্পের। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রকল্প ছিল এটি। তার নাম বদলেই হল কন্যারত্ন, আর শুক্রবার কন্যারত্ন দিবস উপলক্ষে চালু হল ‘কন্যারত্ন মিশন’। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে মেয়েদের স্কুলের প্রতি মনোযোগী করে তোলা, শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁদের আরও ক্ষমতাশালী করে তোলার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
কন্যাশ্রী নয়, কন্যারত্ন (Kanyaratna Diwas)
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ১৪ অগস্টের কন্যাশ্রী দিবসের (Kanyaratna Diwas) বদলে এবার পালিত হল কন্যারত্ন দিবস। জনপ্রিয় কন্যাশ্রী প্রকল্পের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘কন্যারত্ন’। ধনধান্য অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের প্রায় ১৬০০ ছাত্রী উপস্থিত ছিল।
বড়সড় আর্থিক ঘোষণা (Kanyaratna Diwas)
কন্যারত্ন দিবসে মেয়েদের শিক্ষায় বড়সড় আর্থিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে পড়াশোনার জন্য কন্যারা যে ১,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে তা দ্বিগুণ করে ২,০০০ টাকা করার কথা জানানো হয়েছে। অর্থাৎ আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই বাড়ছে কন্যাদের স্কলারশিপের পরিমাণ। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় আর্থিক বাধা কাটাতেও বিশেষ উদ্যোগের ঘোষণা। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রীরা যাতে টাকার অভাবে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য না হন, সেজন্য ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপ মেয়েদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বাড়াবে।
কন্যাশ্রীর ইতিহাস
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ২০১৩ সালের ৮ই মার্চ নারী দিবসে কন্যাশ্রী প্রকল্প ঘোষণা করা হয় এবং একই বছরের ১৪ই আগস্ট এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এই প্রকল্পে ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সি মেয়েদের বার্ষিক বৃত্তি দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের জুন মাসে, জাতিসংঘ তাদের সর্বোচ্চ জনসেবা পুরস্কারে সম্মানিত করে কন্যাশ্রীকে। ৬২ টি দেশের মধ্যে ৫৫২ টি সোশ্যাল সেক্টর স্কিমগুলির মধ্যে সেরা পুরস্কার পায় কন্যাশ্রী।
আরও পড়ুন: Ganja Smuggling Arrests: টুরিস্ট সেজে সুটকেসে গাঁজা পাচার, খন্যানে গ্রেফতার ৩, উদ্ধার ৪০ হাজার টাকা!
নতুন মিশনের মাধ্যমে মেয়েদের পড়াশোনার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি স্কুলছুটের প্রবণতা কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও কর্মসূচির পরিসরও আরও বিস্তৃত করার কথা জানানো হয়েছে।
হেল্পলাইন নম্বর
এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি নতুন হেল্পলাইন নম্বর ১৮১। মহিলারা এই নম্বরে ফোন করে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে জানতে পারবেন। পাশাপাশি পুলিশ, দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স এবং ওয়ান স্টপ সেন্টারের মতো জরুরি পরিষেবার সঙ্গেও যোগাযোগের সুযোগ থাকবে।


