Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর সেদেশের শীর্ষ আদালত থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এসেছে। রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে বন্দি ৭৩ বছর বয়সী এই প্রাক্তন ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট(Imran Pak SC)।
হাসপাতালে স্থানান্তর ও চিকিৎসার ব্যবস্থা (Imran Pak SC)
পিটিআই মুখপাত্র নাঈম হায়দার পাঞ্জুথার তথ্য অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে ইমরান খানকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে এবং আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন থাকবেন। একই সাথে আদালত তার চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠনের আদেশ দিয়েছে। এই বোর্ডে ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং তার বোন ডা. উজমা খান সদস্য হিসেবে থাকবেন। এছাড়াও সপ্তাহে একদিন পরিবারের সদস্যদের সাথে তাকে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে আদালত সতর্ক করে দিয়েছে যে তার মেডিকেল রিপোর্ট সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।
স্বাস্থ্য নিয়ে পারিবারিক ও রাজনৈতিক উদ্বেগ (Imran Pak SC)
গত বছরের আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি ইমরান খানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে জানান তার আইনজীবীরা। পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন যে, চিকিৎসকদের সাথে ইমরান খানের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে তিনি উদ্বেগজনক তথ্য পেয়েছেন। উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা ও বুক ধড়ফড় করার মতো উপসর্গে ভুগছেন তিনি। দীর্ঘ কারাবাস ও একাকীত্ব তার স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে।
আরও পড়ুন: Maharashtra FDA: নিয়মের অতিরিক্ত কড়াকড়ি: মহারাষ্ট্র FDA-কে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বম্বে হাইকোর্টের
মামলা ও পিটিআইয়ের প্রতিক্রিয়া (Imran Pak SC)
পিটিআই মুখপাত্র জুলফিকার বুখারী আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, চিকিৎসকরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে রাখা উচিত। ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ইমরান খান বেশ কয়েকটি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন, যদিও তার দল একে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে।



