Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিউ ইয়ার্স ইভে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন পর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের কলম্বিয়ায় এক ভারতীয় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে(NRI Stabbed)। নিহতের নাম নিকিথা গোধিশালা। তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক অর্জুন শর্মার অ্যাপার্টমেন্ট থেকেই ছুরিকাঘাতে নিহত অবস্থায় তাঁর দেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় হাওয়ার্ড কাউন্টি পুলিশ অর্জুন শর্মার বিরুদ্ধে প্রথম ও দ্বিতীয় ডিগ্রির হত্যা মামলা দায়ের করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরই শর্মা যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন।
হেলথ ইনফরমেশন টেকনোলজিতে মাস্টার্স (NRI Stabbed)
নিকিথা গোধিশালা হাওয়ার্ড কাউন্টির এলিকট সিটিতে বসবাস করতেন। তিনি ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড, বাল্টিমোর থেকে হেলথ ইনফরমেশন টেকনোলজিতে মাস্টার্স ডিগ্রি করেন। বর্তমানে তিনি কলম্বিয়ার ভেহেডা হেলথে ডেটা ও স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি “অল-ইন অ্যাওয়ার্ড” পান। লিঙ্কডইনে তিনি লিখেছিলেন, এই পুরস্কার তাঁকে আরও দায়িত্বশীল ও উদ্যমী হয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।
হায়দরাবাদ থেকে ফার্মেসিতে পড়াশোনা (NRI Stabbed)
এর আগে তিনি ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথে ডেটা অ্যানালিসিস ও ভিজুয়ালাইজেশন স্পেশালিস্ট হিসেবে কাজ করেন। ভারতে থাকাকালে তিনি কেআইএমএস হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল ফার্মাসিস্ট ইন্টার্ন ও পরে ক্লিনিক্যাল ডেটা স্পেশালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হায়দরাবাদের জওহরলাল নেহরু টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ফার্মেসিতে পড়াশোনা করেন। ইংরেজি, হিন্দি ও তেলুগু এই তিন ভাষায় দক্ষ নিকিথা স্বাস্থ্যখাতে ডেটা-নির্ভর উন্নয়নে আগ্রহী ছিলেন।
৩১ ডিসেম্বর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন (NRI Stabbed)
পুলিশ জানায়, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার পর নিকিথার সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ২ জানুয়ারি অর্জুন শর্মা নিজেই নিখোঁজ ডায়েরি করেন এবং জানান, শেষবার তিনি নিকিথাকে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে দেখেছেন। ওই দিনই তিনি ভারতে পাড়ি জমান। পরদিন পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে নিকিথার মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবার ও বন্ধুদের গভীর শোক (NRI Stabbed)
ভারতে ও যুক্তরাষ্ট্রে নিকিথার পরিবার ও বন্ধুরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। ওয়াশিংটনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তারা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সব ধরনের কনস্যুলার সহায়তা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকায়, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযুক্তকে বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে, যদিও এতে সময় লাগতে পারে।



