Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তর কোরিয়া বৃহস্পতিবার জাপানের সাগরে ১০টিরও বেশি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে(North Korea Japan Sea)। এই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়ায় জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয় এবং জাপানি কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে।
ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ ও প্রভাব (North Korea Japan Sea)
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানিয়েছে, পিয়ংইয়ং অঞ্চল থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়। এগুলো কোরিয় উপদ্বীপের পূর্বে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। জাপানের কোস্ট গার্ড নিশ্চিত করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্রটি ইতিমধ্যেই সমুদ্রে পড়েছে এবং এটি জাপানের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের (EEZ) বাইরে পতিত হয়েছে।
সিওল ও টোকিওর প্রতিক্রিয়া
ঘটনার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে একটি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডাকা হয়। সিওল জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের মারাত্মক লঙ্ঘন। জাপান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও জরুরি অ্যালার্ট জারি করা হয়।
চলমান সামরিক মহড়া ও উত্তেজনা
দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ চলাকালীন এই হামলা চালানো হলো। ১৭ আগস্ট শুরু হওয়া এই মহড়া ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চলার কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন অংশগ্রহণ কমানোর নির্দেশ দেওয়ায় এটি আগেভাগেই শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ট্রাম্প এই মহড়াকে “অনুপযুক্ত ও শত্রুতাপূর্ণ” বলে মন্তব্য করেছিলেন।
উত্তর কোরিয়ার হুঁশিয়ারি (North Korea Japan Sea)
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের একদিন আগেই কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং এই যৌথ মহড়ার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (KCNA) এই মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শান্তির জন্য সরাসরি হুমকি এবং আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে বর্ণনা করেছে।
আরও পড়ুন: Tarique Rahman Tour: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত ভারত সফরে সংশয়: ব্রিকস-এর আগে নয়া সমীকরণ
চিন সফরে আসা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সম্প্রতি সিউল সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি শত্রুতাপূর্ণ নীতি ত্যাগ করার আহ্বান জানান(North Korea Japan Sea)। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াশিংটন ও সিউলকে নিজেদের শক্ত অবস্থানের বার্তা দিতেই পিয়ংইয়ং এই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।



