Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুকৃতি ভট্টাচার্য: কলকাতা শহর জুড়ে অগ্নিনির্বাপক (Fire Safety) ব্যবস্থা ও জীবন সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল দমকল দপ্তর ও পুলিশ প্রশাসন। অগ্নিনির্বাপক আইন (West Bengal Fire Service Act, 1950) ও উপযুক্ত সুরক্ষা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মধ্য ও উত্তর কলকাতার একাধিক হোটেল, লজ ও গেস্ট হাউসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অগ্নিসুরক্ষা বিধি মেনে না চলায় শহরজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক তল্লাশি ও আইনি পদক্ষেপ: (Fire Safety)
১৩টি প্রতিষ্ঠান খালি করার নির্দেশ: গত ২০ আগস্ট দেওয়া (Fire Safety) নোটিশের ভিত্তিতে ২১ আগস্ট তারিখে শহরের ১৩টি হোটেল ও রেস্তোরাঁ খালি করে দেওয়া হয়েছে।
১৬টি প্রতিষ্ঠানে নতুন উচ্ছেদের নির্দেশ: সাউথ কলকাতা ডিভিশনের ডিএফও (DFO)-র নির্দেশনামা অনুযায়ী (ধারা ৩৭ এ, উপ-ধারা ১) গত ২১ আগস্ট ১৬টি হোটেল ও গেস্ট হাউসকে অবিলম্বে ভবন খালি করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
২৫টি সংস্থাকে শো-কজ নোটিস: বারবার সতর্কবার্তা ও নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও পর্যাপ্ত অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা না রাখায় ২৫টি হোটেল, ইন ও রেস্তোরাঁকে কারণ দর্শানোর (Show Cause) নোটিস পাঠানো হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে খালি ও বন্ধের নির্দেশ জারি করা হবে না, সে বিষয়ে উত্তর কলকাতার ডিএফও অফিসে শুনানির আয়োজন করা হয়েছে।
ডিভিশন অনুসারে তালিকাভুক্ত প্রধান প্রতিষ্ঠানসমূহ: (Fire Safety)
দক্ষিণ কলকাতা ডিভিশন (খালি করার নির্দেশপ্রাপ্ত ১৬টি প্রতিষ্ঠান):
“মারকুইস স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট (মির্জা গালিব স্ট্রিট) এবং এস.এন. ব্যানার্জী রোডের হোটেল অঙ্গিনা, হোটেল ভিআইপি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল ভিআইপি ইন্টারকন্টিনেন্টাল, হোটেল আলসানা, ডি.কে. ইন্টারন্যাশনাল, যমুনা ব্যাঙ্কুয়েট, সেন্টার পয়েন্ট গেস্ট হাউস, হোটেল ৪৩, ডিয়ার হোটেল, হোটেল এলিট, হোটেল দাওয়াত, হোটেল আল আয়লা, হোটেল ইচ্ছামতী, হোটেল ডিউক, হোটেল সম্রাট এবং সুরুক গেস্ট হাউস।”
উত্তর কলকাতা ডিভিশন (শুনানির জন্য ডাকা প্রধান গেস্ট হাউস ও লজ):
“বৈঠকখানা রোড, মহাত্মা গান্ধী রোড ও ড. দেবেন্দ মুখার্জী রোর সোনারবাসা গেস্ট হাউস, বিনায়ক গেস্ট হাউস, আনন্দ নিকেতন লজ, গ্লোরি লজ, গোবিন্দম গেস্ট হাউস, হোটেল ভাগীরথী, ইম্পেরিয়াল লজ, কল্যাণী লজ, নিউ সানি গেস্ট হাউস এবং সোনালী লজ।”
আরও পড়ুন: Sugar Price: ‘বেশিরভাগেরই ডায়াবেটিস’, চিনির দাম বাড়তেই মন্ত্রীর অদ্ভুত যুক্তি!
প্রশাসনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জীবন ও জনসুরক্ষার স্বার্থে এই ধরনের অভিযান ও কড়া পদক্ষেপ আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।


