Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জাপানের আইচি নাগোয়ায় হতে চলা এশিয়ান গেমস (Asian Games Cricket) নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। প্রতিযোগিতায় দেশের প্রথম সারির ক্রিকেটারদের না পাঠিয়ে দ্বিতীয় সারির বা যুব দল পাঠানোর কথা ভাবছে বোর্ড। শ্রেয়স আইয়ার, হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মন্ধানাদের মতো তারকাদের জাপানে না পাঠানোর নেপথ্যে রয়েছে মূল আইটেম—উপযুক্ত পরিকাঠামোর চরম অভাব।
পরিকাঠামো নিয়ে অসন্তুষ্ট বোর্ড (Asian Games Cricket)
এবারের এশিয়ান গেমসে বাজেট সংকোচন নীতি নিয়েছে জাপান সরকার। প্রতিযোগিতায় অ্যাথলিটদের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পাশাপাশি এবার কোনও ঐতিহ্যবাহী গেমস ভিলেজও তৈরি করা হয়নি। পরিবর্তে অ্যাথলিটদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে নাগোয়া বন্দরে নোঙর করা একটি বড় জাহাজ এবং কিছু ছোট ঘরে। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল। খেলাধুলার জন্য যে মাঠ বেছে নেওয়া হয়েছে, সেখানে আন্তর্জাতিক মানের কোনও সাজঘর নেই। মাঠের মধ্যে তাঁবু খাটিয়ে অস্থায়ী সাজঘর তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখান থেকে শৌচালয়ের দূরত্ব প্রায় ৫০০ মিটার। এমন বেহাল ব্যবস্থায় দেশের শীর্ষ স্তরীয় ক্রিকেটারদের পাঠাতে একেবারেই রাজি নয় বিসিসিআই।
ঘোষিত সূচি (Asian Games Cricket)
সম্প্রতি এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ইভেন্টের চূড়ান্ত সূচি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিযোগিতার সমস্ত ম্যাচ টি-২০ ফরম্যাটে আয়োজিত হবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) পূর্ণ মর্যাদার স্বীকৃতিও পাবে। এই টুর্নামেন্টের জন্য ইতিমধ্যেই পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগেই তারুণ্যখচিত শক্তিশালী দল ঘোষণা করা হয়েছিল। পুরুষদের দলে শ্রেয়স আইয়ার, ঈশান কিষান, বৈভব সূর্যবংশী এবং মহিলাদের দলে স্মৃতি মন্ধানা, হরমনপ্রীত কৌর ও রিচা ঘোষদের রাখা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিকাঠামোর চিত্র সামনে আসার পর এই তারকারা আদৌ জাপান সফরে যাবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা।
আরও পড়ুন: FIFA Corruption: ফিফাকে ঘুষ! স্বীকার দুই আর্জেন্টাইনের
খেতাব রক্ষা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ (Asian Games Cricket)
চার বছর আগে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের (Asian Games Cricket) পুরুষ ও মহিলা—উভয় বিভাগেই সোনা জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। তবে জাপানের এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যদি শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই মূল দল না পাঠিয়ে দ্বিতীয় সারির বা যুব দল পাঠাতে বাধ্য হয়, তবে ভারতের পক্ষে সেই শ্রেষ্ঠত্ব ও খেতাব ধরে রাখা যথেষ্ট কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যদিও শেষ মুহূর্তে আয়োজকরা পরিকাঠামোর মান উন্নত করতে পারে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে বিসিসিআই এবং এসিসি কর্তাদের।



