Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম ধনী ও প্রভাবশালী বোর্ড হওয়া সত্ত্বেও ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI Sponsor)-এর বর্তমান আর্থিক বা মার্কেটিং পরিস্থিতে নতুন স্পনসর পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। শুভমান গিল, শ্রেয়স আইয়ারদের জার্সির মূল স্পনসর হিসেবে বর্তমানে একটি টায়ার প্রস্তুতকারক সংস্থা যুক্ত থাকলেও, হোম সিরিজের নামকরণের জন্য নতুন টাইটেল স্পনসরের সন্ধান মিলছে না। নির্ধারিত চূড়ান্ত সময়সীমার দু’সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কোনো শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট সংস্থা আগ্রহ দেখিয়ে এগিয়ে আসেনি।
কঠোর নিয়মনীতি ও সীমাবদ্ধতা (BCCI Sponsor)
নতুন স্পনসর খোঁজার প্রক্রিয়ায় গুগল জেমিনি, এসবিআই লাইফ, আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক এবং স্পিনি-র মতো কিছু সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চালালেও বিসিসিআইয়ের বেশ কিছু কঠোর নির্দেশিকা চুক্তি বাস্তবায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অতীতে মদ, তামাক বা বেটিং সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এমনকি সাম্প্রতিক নিয়ম অনুযায়ী টায়ার, রং এবং ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক সংস্থাকেও নিলাম প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এমআরএফ, সিইএটি, বার্জার পেইন্টস, পুমা কিংবা ডেকাথলনের মতো বড় ব্র্যান্ডগুলি বর্তমান টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার যোগ্য নয়।
আর্থিক শর্ত ও টেন্ডারের শর্তাবলী (BCCI Sponsor)
বোর্ডের পক্ষ থেকে নতুন দরপত্রদাতাদের ওপর বেশ কিছু কঠিন অর্থনৈতিক শর্ত চাপানো হয়েছে। শর্ত অনুযায়ী, দরপত্র জমা দেওয়া কোনো সংস্থার বিগত তিন বছরের গড় টার্নওভার কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা হতে হবে এবং যৌথ উদ্যোগ বা কনসোর্টিয়াম পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ম্যাচ প্রতি মূল্য (BCCI Sponsor)
২০২৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বলবৎ হতে চলা এই চুক্তির জন্য বিসিসিআই পুরুষ দলের প্রায় ৩৫টি ম্যাচকে চার্জযোগ্য হিসেবে ধরেছে (BCCI Sponsor)। এর মধ্যে দেশের মাটিতে ভারতের আন্তর্জাতিক সিরিজ এবং ঘরোয়া বা আন্তর্জাতিক ইভেন্টগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যদিও ঘরোয়া টুর্নামেন্ট, এসিসি, আইসিসি ইভেন্ট এবং জাতীয় মহিলা দলের ম্যাচগুলি এই হিসেবের বাইরে রাখা হয়েছে। প্রতি ম্যাচের জন্য স্পনসরশিপ মূল্য ধার্য করা হয়েছে ৪.৮৫ কোটি টাকা, যা বড় বাজেটের কারণেও অনেক সংস্থাকে এই দৌড় থেকে দূরে সরিয়ে রাখছে বলে মনে করা হচ্ছে।



