Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মায়াপুরের গৌর নিতাই মন্দিরে পালিত হল জন্মাষ্টমী ও নন্দ উৎসব (Nanda Utsav)। জন্মাষ্টমীর পরের দিনই পালিত হয় নন্দ উৎসব। শ্রীকৃষ্ণের জন্মের পর গোকুলবাসীর আনন্দ-উচ্ছ্বাসকে স্মরণ করেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। সেই ঐতিহ্য মেনেই নদিয়ার মায়াপুরে নবনির্মিত শ্রীশ্রী গৌর-নিতাই মন্দিরে ভক্তি ও উৎসাহের সঙ্গে পালিত হল জন্মাষ্টমী ও নন্দ উৎসব।

অনুষ্ঠানে মুখর মন্দির চত্বর (Nanda Utsav)
গৌড়ীয় বৈষ্ণব অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল ভক্তি স্বরূপ তীর্থ মহারাজের উদ্যোগে নির্মিত এই মন্দিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অসংখ্য শিষ্য, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নেন। শুক্রবার রাতে জন্মাষ্টমীর পুজো এবং শনিবার সকাল থেকেই নন্দ উৎসব উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আবহ। ভক্তদের হরিনাম সংকীর্তন ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা মন্দির চত্বর।
আয়োজিত হয় গুরুপূজা (Nanda Utsav)
নন্দ উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত হয় গুরুপূজা, বিশেষ আরতি, শাস্ত্রপাঠ এবং হরিনাম সংকীর্তন। ভক্তরা গীতাপাঠ ও নামসংকীর্তনে অংশ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্মরণ করেন। পাশাপাশি ভক্ত ও আগত দর্শনার্থীদের জন্য প্রসাদ বিতরণ ও ভোজনেরও আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন:Tourism Development: ধনধান্য অডিটোরিয়ামে পর্যটনের নতুন দিশার সূচনা
পুরাণ ও বৈষ্ণব ঐতিহ্য অনুসারে, কংসের অত্যাচার থেকে শ্রীকৃষ্ণকে রক্ষা করতে তাঁর জন্মের পর পিতা বসুদেব তাঁকে গোকুলে নন্দ ও যশোদার কাছে নিয়ে যান। নন্দের গৃহে কৃষ্ণকে পেয়ে গোকুলবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। শ্রীকৃষ্ণের জন্মের পরদিন পালক পিতা নন্দ সকলকে নিয়ে যে আনন্দোৎসবের আয়োজন করেছিলেন, সেই স্মৃতিতেই জন্মাষ্টমীর পরের দিন নন্দ উৎসব পালনের প্রচলন হয়েছে। সব মিলিয়ে নন্দ উৎসবকে ঘিরে দেশ-বিদেশ থেকে আগত ভক্তদের উপস্থিতিতে দিনভর মন্দির প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আমেজ।



