Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডুরান্ড কাপের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের কাছে হার এবং পরবর্তীতে সিনিয়র দলের ফুটবলারদের খেলিয়েও কলকাতা লিগের ডার্বিতে ড্র (Mohun Bagan CFL Super SiX)। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল মোহনবাগানকে। তবে সেইসব স্মৃতি পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াল সবুজ-মেরুন। কোল ইন্ডিয়াকে ৫-১ গোলে পরাজিত করে ডার্বির হতাশা কাটাল বাস্তব রায়ের প্রশিক্ষণাধীন দল।

প্রথমার্ধেই ৫ গোলের ঝড় (Mohun Bagan CFL Super SiX)
ম্যাচের শুরু থেকেই মোহনবাগান আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। ২ মিনিটে মনবীর সিংয়ের সেট-আপ এবং পরবর্তী দুই মিনিটের মধ্যে লিস্টন কোলাসোর ফ্রি-কিক ও সহজ সুযোগ মিস হলেও সবুজ-মেরুন আক্রমণ থামেনি। ম্যাচের ২০ মিনিটে সাহাল আবদুল সামাদের মাপা ডিফেন্স-চেরা পাস ধরে গোলকিপারকে কাটিয়ে প্রথম গোলটি করেন মনবীর। ৩৩ মিনিটে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুর্দান্ত শটে ব্যবধান ২-০ করেন সাহাল। এরপর ৩৬ মিনিটে কিয়ান নাসিরির পাস থেকে চোখধাঁধানো সাইড ভলিতে গোল করেন সন্দীপ মালিক। ঠিক এক মিনিট পরেই (৩৭ মিনিট) কিয়ান নিজেই গোল করে দলকে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ৪২ মিনিটে প্রাপ্ত পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে প্রথমার্ধেই দলের পক্ষে ৫-০ লিড নিশ্চিত করেন মনবীর সিং।

দ্বিতীয়ার্ধে সুযোগ নষ্ট (Mohun Bagan CFL Super SiX)
দ্বিতীয়ার্ধেও মোহনবাগানের আক্রমণের ঝাঁজ বজায় থাকলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের সংখ্যা আর বাড়েনি। ৪৭ মিনিটে মনবীর, ৫৮ মিনিটে কিয়ান ও ৭৩ মিনিটে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় গোল করার সুযোগ নষ্ট করেন। এর মাঝে ৭৪ মিনিটে মোহনবাগানের সন্দীপ মালিকের হ্যান্ডবলের কারণে পেনাল্টি পায় কোল ইন্ডিয়া। স্পট-কিক থেকে কোল ইন্ডিয়ার হয়ে একমাত্র সান্ত্বনা গোলটি করেন ইরফান। শেষ পর্যন্ত ৫-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাগান।
আরও পড়ুন: East Bengal-Oscar Bruzon: ইস্টবেঙ্গল-অস্কার সংঘাত চরমে! প্রাক্তন ক্লাবের বিরুদ্ধে তোপ প্রাক্তন কোচের
চিন্তা বাড়াল দ্বিতীয়ার্ধের ফিনিশিং (Mohun Bagan CFL Super SiX)
ম্যাচে বড় জয় এলেও প্রথমার্ধে পাঁচ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে একটিও গোল না পাওয়াটা ভাবাবে কোচ বাস্তব রায়কে (Mohun Bagan CFL Super SiX)। চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের লড়াইয়ে খেতাব জিততে গোলপার্থক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রথমার্ধের ফর্ম দ্বিতীয়ার্ধে ধরে না রাখতে পারা এবং একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করা সবুজ-মেরুন শিবিরের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে রইল।



