Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: সাংবাদিক বৈঠক থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয়ে সরব হলেন মুস্তাফিজুর রহমান (Mustafizur Rahman Rana)। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল দুর্গাপুজো, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রশ্ন। মুস্তাফিজুরের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী এমনভাবে বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছেন, যেন তাঁর কথাই শেষ কথা। তাঁর দাবি, ভারতবর্ষের মতো গণতান্ত্রিক দেশে সংবিধান ও আইন রয়েছে। ফলে কোনও রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত নির্দেশ বা ‘ফতোয়া’ সর্বত্র কার্যকর হয়ে যেতে পারে না।

‘দুর্গোৎসব’ নিয়েও কি রাজনৈতিক নির্দেশ? (Mustafizur Rahman Rana)
মুস্তাফিজুরের বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজনীতির প্রসঙ্গ। তাঁর দাবি, বাঙালির কাছে শারদোৎসব শুধুমাত্র কয়েক দিনের দুর্গাপুজোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বকর্মা পুজো থেকে শুরু করে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত বিস্তৃত একটি সাংস্কৃতিক পর্বের সঙ্গে বাঙালির আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। সেই উৎসবকে রাজনৈতিক নির্দেশের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা হলে তা বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উপর হস্তক্ষেপ বলেই মনে করেন তিনি।
পুজোর ভিড় নয়, রাজনৈতিক সংঘাতই কি শিরোনামে? (Mustafizur Rahman Rana)
মুস্তাফিজুরের অভিযোগ, উৎসবের সময়ে মানুষের আনন্দ, পুজোর আয়োজন কিংবা মায়ের আরাধনার খবরের বদলে রাজনৈতিক সংঘাতই সামনে চলে আসতে পারে। তাঁর দাবি, দুর্গাপুজোর স্টল বা রাজনৈতিক প্রচারকে ঘিরে চাপানউতোর তৈরি হলে বিজেপি ও আরএসএস-এর কর্মীদের সঙ্গে বামপন্থী কর্মীদের সংঘাতের মতো ঘটনাই সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় উঠে আসবে। তাঁর মতে, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবকে রাজনৈতিক সংঘাতের ময়দানে পরিণত করা কোনওভাবেই কাম্য নয়।

আরও পড়ুন: Kalighat Trinamool: লক্ষ্মীবারে নতুন ঘর পেলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়করা
সুমিত রায়ের গ্রেফতারি নিয়েও প্রশ্ন
সাংবাদিক বৈঠকে সুমিত রায়ের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও তোলেন মুস্তাফিজুর রহমান। তাঁর বক্তব্য, সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত ও গ্রেফতারির প্রশ্ন উঠলে তাঁর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও একইভাবে প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন। বিশেষ করে তিনি ইঙ্গিত করেন, ‘যার পিএ, তাঁর তো আগে গ্রেফতার হওয়া উচিত’, এই বক্তব্যের মাধ্যমে তদন্তের ক্ষেত্রে সমতা ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত অবস্থানের দাবি জানান তিনি। সামগ্রিকভাবে তাঁর বক্তব্যে প্রশাসন ও রাজনীতির ক্ষেত্রে আইন এবং সংবিধানের মর্যাদা বজায় রাখার আহ্বানই উঠে এসেছে।



