Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অস্কার ব্রুজোঁ এবং ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তার এবার চরমে পৌঁছে গেল (EB Saikat Ganguly)। গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই পক্ষের কাদা ছোড়াছুড়ি ও বাকযুদ্ধ সাময়িকভাবে সীমিত থাকলেও, তা হঠাৎই এক ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। মাঠের ভেতরের কোচিং বিতর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিষয়টি এখন সরাসরি প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মোড় নিয়েছে, যা লাল-হলুদ শিবিরের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে প্রবলভাবে উত্তপ্ত করে তুলেছে।
স্প্যানিশ কোচ পুলিশের দ্বারস্থ (EB Saikat Ganguly)
শুক্রবার গভীর রাতে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের উদ্দেশে দুই পাতার একটি দীর্ঘ বিবৃতি পোস্ট করেছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ। আইএসএল জয়ী এই কোচের দাবি, সেই পোস্টটি প্রকাশ করার পর থেকেই ইস্টবেঙ্গলের একদল সমর্থকের কাছ থেকে তিনি সরাসরি খুনের হুমকি পেতে শুরু করেন। শনিবার দুপুরে সেই হুমকির বার্তার স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে তোলপাড় ফেলে দেন অস্কার। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয় যে, নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সেই বার্তায় তিনি সরাসরি কলকাতা পুলিশ এবং ভারতে অবস্থিত স্পেনের দূতাবাসকেও ট্যাগ করেছেন।
নীতু সরকারকে নিশানা (EB Saikat Ganguly)
এর আগে শুক্রবারের পোস্টে অস্কার ব্রুজো ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার ওরফে ‘নীতু’ সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। আগের দিন নাম না করে যাকে ‘মাস্টার’ বলে উল্লেখ করেছিলেন, পরে নীতু সরকারের নাম সরাসরি উল্লেখ করে ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাবে সমর্থকদের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লেখেন তিনি। গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাবেক এই কোচের একের পর এক তোপ, যেমন—ড্রেসিংরুমের প্লট, তথ্য ফাঁস, কিংবা গোপন এজেন্ডার অভিযোগ ক্লাব প্রশাসনের ভিতকে বেশ কাঁপিয়ে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: Wasim Akram: পাকিস্তানে ট্যালেন্ট নেই! ক্ষুব্ধ ওয়াসিম আক্রম! উদাহরণ দিলেন বৈভব সূর্যবংশীর
ক্লাব কর্তাদের পাল্টা জবাব (EB Saikat Ganguly)
অস্কারের এই একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও (EB Saikat Ganguly)। দেবব্রত সরকারের প্রতিক্রিয়ার পর শনিবার ময়দানে নামেন ক্লাবের ফুটবল সচিব সৈকত গাঙ্গুলি। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একটি পাল্টা বিবৃতি জারি করে তিনি অস্কারের সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করেন। সৈকত গাঙ্গুলি লেখেন, “ফুটবলে একটা কথা প্রচলিত আছে—ট্রফি জিতলে ‘আমি’, আর সবকিছু নিজের মতো না চললে ‘ওরা’। ক্লাব ছাড়ার পর অদৃশ্য হাত, লবি বা ষড়যন্ত্র আবিষ্কার করা সহজ, কিন্তু তা প্রমাণ করা কঠিন।” একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ঐতিহ্য ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কোনো ব্যক্তি—সে কোচ হোক, খেলোয়াড় হোক বা কর্তা—কখনই বড় হতে পারে না।



