Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডার্বির আগে নতুন করে সেজে উঠল যুবভারতী (Yuba Bharati Krirangan)।
পাল্টে গেল সরকারি লোগো (Yuba Bharati Krirangan)
রাত পোহালেই আইএসএল ডার্বি। রবিবারে সবার পথ ভিন্ন হলেও গন্তব্য যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। ইস্টবেঙ্গল-মোহবাগান নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে ক্রমাগত। কান পারলেও সমর্থকদের চিৎকারে যেন আকাশ কেঁপে উঠবে। সমর্থকদের মুখে মুখে ঘুরছে ‘ডার্বি যার, আইএসএল তার (Yuba Bharati Krirangan)।
৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যে পালাবদল হয়েছে আর সেই ঐতিহাসিক পালাবদলের পর এটাই প্রথম ডার্বি। তৃণমুল সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এবার রাজনৈতিক পালাবদলের পর এবার অস্তিত্ব হারাতে চলেছে বিশ্ববাংলা লোগো-ও।
ডার্বির উত্তেজনা বোঝা যায় টিকিট বিক্রির হিড়িক দেখেও। ইতিমধ্যেই এই মহারণের টিকিট নিঃশেষিত। চিরআবেগের এই ম্যাচের আগে এবার যুবভারতী যেন সেজে উঠছে নব রূপে। পাল্টে যাচ্ছে তার মুখসজ্জা। ‘বিশ্ববাংলা’ লোগো সরিয়ে সেখানে স্থান পেল জাতীয় প্রতীক অশোকস্তম্ভ। স্টেডিয়ামের সামনে থাকা বিশালাকার মূর্তিও সরানো হবে সূত্রের খবর। অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের সময়ে এই মূর্তি তৈরি হয়েছিল (Yuba Bharati Krirangan)।

আগের সরকারের অন্যতম পরিচিত প্রতীক ছিল বিশ্ববাংলা লোগো। যেদিকেই তাকানো জেট সেই দিকেই ছিল ‘ব’ অক্ষর। এবার সেই প্রতীক সরিয়ে সেখানে জায়গা করে নিল অশোকস্তম্ভ।
আরও পড়ুন: Aniket Mahata: আরজি কর মামলায় আরও গ্রেফতার অনিবার্য, ইঙ্গিত অনিকেতের
তবে ডার্বির আগে অনুশীলনে ব্যস্ত দুই দলই। দুই দলই শেষ মহড়া সেরে নিতে চাইছে এই প্রবল স্নায়ুযুদ্ধের আগে। একদিকে যেমন ম্যাকলারেনদের থামাতে আবার অস্কার মাঝমাঠে রাখবেন বড় চেহারার জিকসনকে। তাঁর সঙ্গে থাকবেন রশিদ। অন্যদিকে সবুজ-মেরুন কোচ ভরসা রাখতে চলেছেন হয়ত জোড়া বিদেশি স্টপার টম আর আলবার্তোর উপর।
লাল-হলুদ ব্রিগেডের সামনে ডিফেন্সিভ ব্লকার আপুইয়া। বাগানের মিডফিল্ড জেনারেল বলা যেতে পারে তাঁকেই। তাঁর ভালে খেলার উপর নির্ভর করবে দলের ভারসাম্য। লাল-হলুদে ব্যবধান গড়ার কারিগর মিগুয়েলই। তাঁর ডিফেন্সচেরা থ্রুতেই ভাঙতে পারে বাগান ডিফেন্স। অর্থাৎ ডার্বির আসল চাবিকাঠি হয়ে উঠতে চলেছেন আপুইয়া আর মিগুয়েল (Yuba Bharati Krirangan)।
এখন ঐতিহ্যের এই লড়াইতে কে জিতবে সেটা সময় এলেই বোঝা যাবে তবে দুই দলই ম্যাচ জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী। দুই দলের কোচই বলেন যে দলের প্লেয়ারদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। এই স্নায়ুযুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার আগে যা বিশেষভাবে দরকার।
আইএসএল-এ কোনদিন মোহনবাগানকে হারাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সেই ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্যে ইস্টবেঙ্গল কোচ আর ইতিহাস ধরে রক্ষার লক্ষ্যে মোহনবাগান কোচ। এখন দেখার নতুন করে ইতিহাস লিখতে পারে কোন দল। কোন দলের সমর্থকরা বিজয়ের হাসি নিয়ে বাড়ি ফেরেন।


