Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার:: বৃহস্পতিবার সকালে বেঙ্গালুরুর জেপি নগর (Nurse Attack) থার্ড ফেজে নারায়ণ ক্লিনিকের কাছে ২৬ বছর বয়সী এক নার্সের ওপর অ্যাসিড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ওই নার্সের নাম মধুমিতা। বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে তাঁর চিকিৎসা চলছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
কী হয়েছিল সেদিন? (Nurse Attack)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে (Nurse Attack) , ঘটনাটি ঘটে সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ। এদিন সকালে মধুমিতা সকালের খাবার খেতে ক্লিনিকের বাইরে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় মোটরসাইকেলে করে সেখানে পৌঁছান তাঁর স্বামী ভেঙ্কটেশ। পুলিশ জানিয়েছে, মধুমিতার সঙ্গে ভেঙ্কটেশের দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্যজনিত সমস্যা চলছিল। দু’জন প্রায় এক বছর ধরে আলাদা থাকছিলেন এবং এই সময় তাঁদের মধ্যে কোনও যোগাযোগ ছিল না। প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, মধুমিতা ক্লিনিক থেকে বের হওয়ার পর ভেঙ্কটেশ তাঁর পিছু নেন। প্রাণ বাঁচাতে মধুমিতা ক্লিনিকের বেসমেন্টের পার্কিং এলাকার দিকে দৌড়ে যান। সেখানেই মধুমিতার ওপর অ্যাসিড ছোঁড়া হয়। এরপর চুল ধরে টেনে নিয়ে একটি ধারালো দা দিয়ে তাঁকে একাধিকবার আঘাত করা হয়। হামলার ফলে মধুমিতা গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে আইসিইউতে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
বাধা দেওয়ার চেষ্টা সাধারণ মানুষের (Nurse Attack)
ঘটনাটি দেখার পর আশপাশের বেশ কয়েকজন মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, উপস্থিত লোকজন চিৎকার করে অভিযুক্তকে থামানোর চেষ্টা করেন এবং মধুমিতাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। তবে এরপর ভেঙ্কটেশ তাঁদের দিকেও দা নিয়ে এগিয়ে গিয়ে হুমকি দিতে থাকেন। তাঁকে থামাতে উপস্থিত কয়েকজন পাথর ছোড়ারও চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। কিন্তু তাতেও অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে থামানো সম্ভব হয়নি। ঘটনার সময় স্থানীয় কয়েকজন তাঁদের মোবাইল ফোনে হামলার ভিডিও রেকর্ড করেন। সেই ভিডিও ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশ সংগ্রহ করেছে। তদন্তে ওই ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: Karam Puja Holiday: করম পুজোয় রাজ্যে ছুটি ঘোষণা, বন্ধ থাকবে কোন কোন অফিস?
তদন্তে নেমেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা
পরিস্থিতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এক ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা। পরে তাঁকে হেফাজতে নেয় জেপি নগর পুলিশ। পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বাসিন্দা মধুমিতা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসকদের কাছ থেকে আরও তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। জেপি নগর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।


