Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিয়ের মাত্র দু’মাস পর। নতুন জীবনের প্রথম স্মরণীয় সফর হিসেবে পাহাড়ে হানিমুনে গিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া বাজার এলাকার বাসিন্দা সমীর দাস ও তাঁর স্ত্রী নিকিতা দাস (Darjeeling)। কিন্তু আনন্দের সেই সফর মুহূর্তের মধ্যে পরিণত হল আতঙ্কে। অভিযোগ, হোমস্টের বারান্দায় বারবিকিউ খেতে বসে আচমকাই আগুন ছড়িয়ে পড়ে গুরুতরভাবে ঝলসে যান নিকিতা। বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন তিনি।
প্রথম পাহাড় সফরেই নেমে এল বিপর্যয় (Darjeeling)
পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সমীর ও নিকিতা প্রথমবার হানিমুনে পাহাড়ে যান। কার্শিয়াং এলাকার সিটংয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ‘সিটং অরা হোম স্টে’ বুক করেছিলেন তাঁরা। পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার পর সন্ধ্যায় হোমস্টের ব্যালকনিতে বারবিকিউ খাওয়ার আয়োজন করা হয়। অভিযোগ, হোমস্টের পাচক অতিথিদের সামনেই বারবিকিউ তৈরি করছিলেন। সেই সময় আচমকাই আগুন জ্বলে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে নিকিতার শরীরে আগুন ধরে যায়।
মুহূর্তের মধ্যে আগুনের গ্রাসে নববধূ (Darjeeling)
নিকিতার মামা তাপস দাসের দেওয়া একটি ভিডিওতে ঘটনার ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে বলে পরিবারের দাবি। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বারবিকিউ তৈরির সময় আচমকা আগুনের শিখা বেড়ে যায়। পাশে থাকা স্বামী সমীর আপ্রাণ চেষ্টা করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ঘটনার পর গুরুতরভাবে ঝলসে যান নিকিতা। পরিবারের অভিযোগ, আহত অবস্থায় দীর্ঘ সময় হোমস্টের বারান্দাতেই পড়ে ছিলেন তিনি। তাঁদের দাবি, প্রায় এক ঘণ্টা পর্যন্ত হোমস্টে কর্তৃপক্ষের তরফে যথাযথ সাহায্য মেলেনি।
হোমস্টের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবি (Darjeeling)
বৃহস্পতিবার ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে নিকিতার মামা তাপস দাস অভিযোগ করেন, দুর্ঘটনার পর হোমস্টে থেকে তাঁদের পরিবারের সদস্যকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হয়নি। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দুর্ঘটনার পর হোমস্টে কর্তৃপক্ষ কী ভূমিকা নিয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিবার (Darjeeling)।

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: অন্নপূর্ণা দিবসে একাধিক বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত দাবি করে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাপস দাস। পরিবারের দাবি, দুর্ঘটনার সম্পূর্ণ ঘটনা খতিয়ে দেখে দায় নির্ধারণ করা হোক। অন্যদিকে, গুরুতর দগ্ধ নিকিতা বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবার। এখন তদন্তেই স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে বারবিকিউয়ের আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল এবং দুর্ঘটনার পর আহত পর্যটককে যথাযথ চিকিৎসা সহায়তা দিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।



