Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নানা রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে (Kaustuv Bagchi)। এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের প্রেক্ষাপটে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন এক রাজনৈতিক বক্তা। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রকৃত রাজনৈতিক দল বলা যায় না। বরং কিছু ‘ভেস্টেড ইন্টারেস্ট’ থাকা মানুষের স্বার্থে তৈরি একটি সংগঠন হিসেবেই তিনি দলটিকে ব্যাখ্যা করেছেন।
‘নির্দিষ্ট মতাদর্শ বা কর্মসূচি ছিল না’ (Kaustuv Bagchi)
বক্তার কথায়, একটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব মতাদর্শ, কর্মসূচি এবং রাজনৈতিক দর্শন থাকা প্রয়োজন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রে সেই বৈশিষ্ট্যগুলি ছিল না বলেই তাঁর দাবি। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতায় থাকাকালীন দলের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করা এবং রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করা। এই প্রসঙ্গে তিনি তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কটাক্ষ করে বলেন, দলের উদ্দেশ্য যেন ছিল—‘এলোমেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই’। যদিও এটি তাঁর রাজনৈতিক মন্তব্য এবং এর সত্যতা নিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
‘ক্ষমতা যেতেই প্রতীকও হারিয়ে গেল?’ (Kaustuv Bagchi)
বক্তার বক্তব্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু ২০২৬ সালের নির্বাচনী ফলাফল। তাঁর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক অস্তিত্ব কার্যত শেষ হয়ে গিয়েছে এবং দলের প্রতীক ‘ঘাসফুল’-এরও আর অস্তিত্ব নেই। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, অতীতে তাঁরা বারবার বলেছিলেন, তৃণমূল ক্ষমতা হারালে দল এবং প্রতীক—দুটিই টিকবে না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সেই বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন তিনি।

‘কোথায় সেই বড় বড় আওয়াজ?’ (Kaustuv Bagchi)
বক্তব্যের শেষ পর্বে সরাসরি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করা হয়। প্রশ্ন তোলা হয়—কোথায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কোথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই রাজনৈতিক হুঙ্কার? অতীতে বিজেপিকে ২০২৬ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে খুঁজে পাওয়া যাবে নাএমন রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, বাস্তবে ফলাফল সম্পূর্ণ বিপরীত হয়েছে।
আরও পড়ুন: UPI Transaction Charges: ১৫ অক্টোবর থেকে UPI-তে নতুন নিয়ম, কত টাকা চার্জ জানুন
২০২৬-এর নির্বাচনের ফলকে সামনে রেখে এই বক্তব্য মূলত তৃণমূলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, সংগঠন এবং প্রতীক নিয়ে এক তীব্র রাজনৈতিক কটাক্ষ হিসেবেই উঠে এসেছে। তবে দলের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সময় এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহই নির্ধারণ করবে।



