Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল—এমন অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে আইআইএম জম্মুতে। অভিযোগ, অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকা পড়ুয়াদের কারণ দর্শাতে বলা হয়। এমনকী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হতে পারে বলেও নোটিসে উল্লেখ ছিল (IIM Jammu)।

অনুপস্থিত পড়ুয়াদের কাছে কৈফিয়ত তলব (IIM Jammu)
জানা গিয়েছে, ১৬ সেপ্টেম্বর প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কয়েকজন পড়ুয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকায় তাঁদের লিখিত ভাবে অনুপস্থিতির কারণ জানাতে বলা হয়। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কেউ অনুপস্থিত থাকলে ক্যাম্পাসের ডিসপেন্সারি থেকে লিখিত প্রমাণ জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল।
নোটিস প্রকাশ্যে আসতেই শুরু বিতর্ক (IIM Jammu)
এই নোটিস প্রকাশ্যে আসার পরেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা উচিত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।
কংগ্রেসের প্রশ্ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন নির্দেশ কেন?
ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে কংগ্রেস। উপত্যকায় দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসির হুসেন প্রশ্ন তুলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের উপস্থিতি কেন বাধ্যতামূলক হবে? তাঁর বক্তব্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে রাজনৈতিক প্রচার থেকে দূরে রাখা উচিত।
কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যাও সামনে (IIM Jammu)
তবে বিতর্কের মধ্যেই আইআইএম জম্মুর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কোনও পড়ুয়ার কাছ থেকেই জরিমানা নেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, বিষয়টি নিয়ে অকারণে রাজনীতি করা হচ্ছে। পাঠ্যক্রমের বাইরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ তাঁদের সামগ্রিক বিকাশে সহায়ক বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: Bhangar College: ভাঙড় কলেজে উত্তেজনার পর গ্রেফতার ৪, আদালতে তোলা হবে ধৃতদের
বাধ্যতামূলক উপস্থিতি নিয়ে হবে বৈঠক
প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠানে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই বৈঠক করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে আপাতত বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ছাত্র পরিষদের নোটিস, পড়ুয়াদের অংশগ্রহণের স্বাধীনতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের অনুষ্ঠানের চরিত্র। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত কীভাবে মীমাংসা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।



