Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: কথায় আছে ‘কুপুত্র যদি বা হয়, কুমাতা (Affair) কদাপি নয়।’ কিন্তু দেগঙ্গার এই ঘটনা যেন সেই চিরাচরিত প্রবাদকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। যে মা দশ মাস গর্ভে সন্তানকে ধারণ করেন, সেই মায়ের বিরুদ্ধেই উঠল নিজের ১৩ বছরের ছেলেকে খুনের অভিযোগ। বারান্দায় নিথর হয়ে পড়ে সন্তান, আর ঠিক পাশেই মদ্যপ অবস্থায় বসে থাকার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে।
রাতের অন্ধকারে চাঞ্চল্য (Affair)
ঘটনাটি দেগঙ্গা থানার অন্তর্গত যাদবপুর (Affair) গ্রামের। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাতে হঠাৎই প্রতিবেশীরা জানতে পারেন, বাড়ির বারান্দায় নিথর অবস্থায় পড়ে রয়েছে ১৩ বছরের কিশোর। পাশে ছিলেন তার মা স্বাতী পাল। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।
হাসপাতালে নিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি (Affair)
খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা দ্রুত কিশোরকে উদ্ধার করে বারাসত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয় তীব্র চাঞ্চল্য। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ স্বাতী পালকে গ্রেফতার করে।
পরকীয়ায় বাধা? উঠছে বিস্ফোরক অভিযোগ
স্থানীয়দের দাবি, স্বাতী পালের স্বামী কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। বাড়িতে মা ও ছেলে থাকতেন। অভিযোগ, স্বামীর অনুপস্থিতিতে ওই বাড়িতে মাঝেমধ্যেই বহিরাগত পুরুষদের আনাগোনা ছিল। সেই বিষয় নিয়ে আপত্তি জানাত ১৩ বছরের কিশোর।
বাধা দেওয়াই কি কাল হল?
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ঘটনার রাতেও বাড়িতে এক বহিরাগত পুরুষ এসেছিলেন। ছেলেটি তাতে বাধা দেয়। এরপরই তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং ঠিক কীভাবে কিশোরের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: Lata Mangeshkar: প্রেম পায়নি পরিণতি, সাদা শাড়িতেই জীবন কাটালেন লতা দিদি
বাবার অভিযোগে আরও রহস্য
মৃত কিশোরের বাবা স্ত্রীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, শুধু মা নন, ওই সময় বাড়িতে থাকা কোনও বহিরাগত পুরুষও ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। অন্যদিকে, স্বাতী পালের দেওয়া নিয়েও তদন্ত করছে পুলিশ। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শুধুমাত্র পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় কী কেড়ে নিল ১৩ বছরের ওই নাবালকের জীবন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনো কারণ লুকিয়ে রয়েছে?


