Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উয়েফা নেশনস লিগে নরওয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে পর্তুগালের মূল একাদশে জায়গা পাননি ৪১ বছর বয়সী তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো (Cristiano Ronaldo)। ম্যাচের শেষদিকে ওয়ার্মআপ করলেও পুরো ৯০ মিনিট তাঁকে বেঞ্চেই বসে কাটাতে হয়। কোনো প্রতিযোগিতামূলক অফিশিয়াল ম্যাচে রোনাল্ডোর স্কোয়াডে থেকেও এক মিনিটের জন্য মাঠে না নামার ঘটনাটি ঘটল দীর্ঘ ১৮ বছর পর। এর আগে ২০০৮ ইউরোয় সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তিনি পুরো সময় বেঞ্চে ছিলেন। তবে রোনাল্ডোকে ছাড়া মাঠে নেমে পর্তুগাল ২-১ ব্যবধানে নরওয়েকে পরাজিত করেছে।
ম্যাচে রামোসের ভূমিকা (Cristiano Ronaldo)
রোনাল্ডোর জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন তরুণ ফরোয়ার্ড গনসালো রামোস। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে তিনি দলের জয়ের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রামোস পর্তুগালের হয়ে জয়সূচক গোলটি করার পাশাপাশি আরও একটি গোল করেছিলেন, যা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। তাঁর এই পারফরম্যান্স রোনাল্ডোর অনুপস্থিতিতে পর্তুগালের আক্রমণভাগকে শক্তিশালী রেখেছিল।
কোচ জর্জ জেসুসের সিদ্ধান্ত (Cristiano Ronaldo)
ম্যাচ শেষে কোচ জর্জ জেসুস রোনাল্ডোকে মাঠে না নামানোর পেছনে কৌশলগত কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, ম্যাচের শেষ আধঘণ্টায় রোনাল্ডোকে নামানোর পরিকল্পনা থাকলেও মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। জেসুসের মতে, রামোস খুব ভালো ছন্দে ছিলেন এবং দারুণ খেলছিলেন। তাই তাঁকে তুলে নেওয়া যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি।
আরও পড়ুন: Asian Games Athletics: পি টি ঊষার ৪২ বছরের জাতীয় রেকর্ড ভাঙলেন ভিথ্যা রামরাজ
দলের ভারসাম্য রক্ষা (Cristiano Ronaldo)
ম্যাচের শেষলগ্নে নরওয়ে যখন গোল শোধ করে সমতা ফেরানোর প্রবল চেষ্টা করছিল, তখন কোচ জেসুস আক্রমণ বাড়ানোর চেয়ে দলের রক্ষণের ভারসাম্য বজায় রাখাকেই বেশি প্রাধান্য দেন (Cristiano Ronaldo)। সেই মুহূর্তে রোনাল্ডোর চেয়ে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ফুটবলার নামানোকেই তিনি সঠিক বলে মনে করেন। একই সঙ্গে কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে রোনাল্ডোর কোনো শারীরিক সমস্যা নেই এবং তিনি এখনও পর্তুগাল জাতীয় দলের পরিকল্পনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।



