Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতা হাইকোর্টের ছাদে ঘর তৈরি করে নামাজ পাঠ! দুর্গাপুজোর জন্য আবেদন করা হলে মেলেনি অনুমতি। তাহলে কী করে নামাজ পাঠ? প্রশ্ন উঠছিল আদালতে (High Court)। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে রিপোর্ট তলব প্রধান বিচারপতির।
দুর্গাপুজোয় কেন অনুমতি নয়? (High Court)
কলকাতা হাইকোর্টের (High Court) মূল ভবনের ছাদে দুর্গাপুজো করতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। কিন্তু সেই আবেদন গত শুক্রবার খারিজ করে দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং ওমনারাণ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। তাহলে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে কেন প্রার্থনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে?
আরও পড়ুন: Water Metro: পুজোর আগেই হলদি নদীতে চালু ‘ওয়াটার মেট্রো’, ভাড়া কত জানেন?
মামলাকারী আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, সংবিধানে ধর্মীয় নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সব ধর্মের মানুষকে তার নিজ ধর্ম পালনের অধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে কলকাতা হাইকোর্টে সেই নিরপেক্ষতা বজায় থাকছে না বলে অভিযোগ করেন আইনজীবী।

মামলাকারী একটি গুরুতর উদহারণ তুলে ধরে আদালতকে বলেন, একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়কে প্রতি শুক্রবার হাইকোর্টের (High Court) ছাদে প্রার্থনা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাহলে সংবিধান মেনে কলকাতা হাইকোর্টের ছাদে ভারত মাতার মন্দির বা দুর্গাপুজো (Durga Puja) করার অনুমতি দেওয়া হোক। এটি জনস্বার্থের বিষয় হতে পারে না বলে মামলাটি খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
আরও পড়ুন:Durga Puja 2026: মহালয়া থেকে বিজয়া, পুজোয় মেগা আয়োজন!
বুধবার দিন এই বিষয়ে আবারও প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রধান বিচারপতি মামলাকারীর কাছে জানতে চান, হাইকোর্টের (High Court) ছাদের উপর ঘর তৈরি করে নামাজ পড়ার অনুমতি কবে এবং কে দিয়েছিল? কবে থেকে হচ্ছে? কবে কবে প্রার্থনা হয়? কতজন সেখানে উপস্থিত থাকেন? এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে আগামী ১২ অক্টোবর রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।


