Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে অভিযোগ থেকে শুরু করে INDIA-র ভূমিকা, জেন-জি, রাহুল গান্ধী এবং দুর্গাপুজোর কার্নিভাল—একাধিক ইস্যুতে নিজের বক্তব্য জানালেন মদন মিত্র। তাঁর কথায় উঠে এল রাজনৈতিক সতর্কতা, অতীতের ভুলের আত্মসমালোচনা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন (Madan Mitra)।
‘গুরুতর অভিযোগ, তদন্ত হওয়া দরকার’ (Madan Mitra)
নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে মদন মিত্র বলেন, শুধু কোনও ব্যক্তির বক্তব্যের ভিত্তিতে নয়, আইন মেনে এবং চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর। এর যথাযথ তদন্ত হওয়া দরকার। একইসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বার্থে সরকারকে উদার মনোভাব নিয়ে বিষয়টির ‘তলদেশে’ গিয়ে তদন্ত করতে হবে(Madan Mitra)।

মমতা বড় নেত্রী, তবে আত্মসমালোচনাও জরুরি (Madan Mitra)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মদন মিত্র বলেন, তাঁর কাছে যে তথ্য ও সূত্র রয়েছে, তা তাঁর নিজের কাছে নেই। তবে নাগরিক হিসেবে তিনি চান, সকলের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকুক। বাংলায় বিজেপিকে মানুষ ভোট দিয়েছে এবং গত ১৫ বছরে তৃণমূলেরও বহু ভুল হয়েছে—এমন আত্মসমালোচনামূলক মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, রাস্তায় নামার আগে INDIA-র আরও বৈঠক করা প্রয়োজন।
ব্যালট, ভোট ও গণনার প্রশ্ন (Madan Mitra)
‘নো ভোট, নো আইডেন্টিটি’ আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মদন মিত্র বলেন, নির্বাচনকে কোনওভাবেই ছেলেখেলা হিসেবে দেখা উচিত নয়। ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণে গণনা নিয়ে অতীতে সমস্যার উদাহরণ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দেশের স্বার্থে যে পদ্ধতি ভালো, সেটিই গ্রহণ করা উচিত বলে মত তাঁর।
জেন-জি নিয়ে মদনের বার্তা (Madan Mitra)
জেন-জির আন্দোলন প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন মদন মিত্র। তাঁর বক্তব্য, নতুন প্রজন্ম এখন যুক্তির কথা বলছে। তবে জেন-জির এই সক্রিয়তাকে সরাসরি নরেন্দ্র মোদী-বিরোধিতা হিসেবে দেখার পক্ষপাতী নন তিনি। আর জি কর আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ।
রাজনীতি থেকে দূরে যাওয়ার ইঙ্গিত
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন মদন মিত্র। তিনি বলেন, রাজনীতি থেকে নিজেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে নিতে চান এবং রাজনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। তা না হলে ‘তাসের ঘরের মতো’ সবকিছু ভেঙে পড়তে পারে। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সংগঠন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেস নয়, ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস করেন।
রাহুল-প্রিয়াঙ্কা প্রসঙ্গ ও কার্নিভাল বিতর্ক
রাহুল গান্ধীকে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, রাহুলকে মানা না হলে INDIA-র অন্যরা কাকে মানবে? রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নতুন দিশা দেখাতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মদন। তাঁর বক্তব্য, মা চলে যাওয়ার পর পুজোর আবহে কার্নিভাল আয়োজনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং পিতৃপক্ষে এমন আয়োজন কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়েও ভাবা দরকার।
আরও পড়ুন: Delhi Temperature Drop: বৃষ্টি-মেঘে কমল পারদ, দিল্লিতে ২১°! শীত কী এবার আগেই?
‘মানুষ এই রাজনৈতিক খেলা পছন্দ করছে না’
নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষকে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন নিয়েও সরব হন মদন মিত্র। তাঁর বক্তব্য, একই বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য সামনে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।



