Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজো মানেই কলকাতার রাস্তায় মানুষের ঢল (Kolkata Police)। উত্তর থেকে দক্ষিণ—শহরের বিভিন্ন প্রান্তের জনপ্রিয় পুজো মণ্ডপগুলিতে প্রতি বছরই কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যায় লালবাজারে কলকাতা পুলিশ ট্রাফিকের নতুন ডিসির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। বৈঠকে শহরের বড় পুজো মণ্ডপগুলির ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
নজরে সব বড় পুজো মণ্ডপ (Kolkata Police)
সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার-সহ উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার জনপ্রিয় পুজো মণ্ডপগুলিকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মণ্ডপ সংলগ্ন রাস্তা, প্রবেশ ও বেরোনোর পথ এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ভিড় বাড়লে পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত বাহিনী নামানোর ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
পার্ক স্ট্রিটে প্রথম দুর্গাপুজো (Kolkata Police)
চলতি বছরে কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা পার্ক স্ট্রিটে প্রথমবারের মতো দুর্গাপুজোর আয়োজন হওয়ায় পুলিশের নজর আরও বেশি। বড়দিন এবং বর্ষবরণের সময় যেমন এই এলাকায় মানুষের বিপুল সমাগম হয়, পুজোর সময়ও একই ধরনের ভিড়ের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে পার্ক স্ট্রিটের পাশাপাশি রেমাস রোড, গড়িয়াহাট মোড় এবং সংলগ্ন এলাকাতেও বিশেষ ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
যানজট ঠেকাতে মা ফ্লাইওভারে নতুন ব্যবস্থা (Kolkata Police)
পুজোর সময় যানজট নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে মা ফ্লাইওভারেও। সেখানে শুরু হতে চলেছে একটি নতুন পাইলট প্রজেক্ট। ফ্লাইওভারে কোনও গাড়ি বিকল হয়ে গেলে যাতে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত না হয়, তার জন্য আগে থাকা তিনটি ক্রেন বা ক্যাপসুলের সংখ্যা বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে। অর্থাৎ, দুর্ঘটনা বা গাড়ি বিকলের মতো পরিস্থিতিতে দ্রুত গাড়ি সরিয়ে রাস্তা সচল রাখাই লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:Cyber Crime: নিউটাউনে আন্তর্জাতিক ফেক কল সেন্টারের হদিস, গ্রেফতার ২৪
রিয়েল-টাইম নজরদারিতে বিশেষ ক্যামেরা
শুধু যানজট নয়, গাড়ির নথিপত্র সংক্রান্ত বিষয়েও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। মা ফ্লাইওভারে বিশেষ ক্যামেরা বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোনও গাড়ির পলিউশন সার্টিফিকেট বা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে ক্যামেরার মাধ্যমে তা রিয়েল-টাইমে শনাক্ত করার ব্যবস্থা থাকবে। সংশ্লিষ্ট তথ্য দ্রুত পুলিশের কাছে পৌঁছবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।



