Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেবযানী সরকার: কৃষকদের জন্য বড়সড় সুখবর। কৃষিকাজে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়াতে নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করলেন কৃষিমন্ত্রী দুধ কুমার মণ্ডল (Govt Scheme)। এবার অনলাইনে আবেদন করেই কৃষিকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনার জন্য সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকছে। শুধু নিজের জমিতে চাষের কাজে নয়, ট্র্যাক্টর ভাড়ায় দিয়েও অতিরিক্ত আয়ের পথ খুলে যাবে কৃষকদের সামনে।
কৃষিযন্ত্র কিনতে অনলাইনে আবেদন (Govt Scheme)
কৃষকদের কৃষিকাজে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ানো এবং চাষের খরচ কমানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া। আগামী এক মাস ধরে কৃষকরা আবেদন করতে পারবেন। ফলে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যোগ্য কৃষকদের অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হবে।
৮০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি, মিলবে ঋণের সুবিধাও (Govt Scheme)
এই প্রকল্পের অন্যতম বড় আকর্ষণ হল কৃষিযন্ত্র কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সরকারি ভর্তুকি। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের সুবিধাও রাখা হয়েছে। অর্থাৎ আধুনিক কৃষিযন্ত্র কেনার ক্ষেত্রে কৃষকদের আর্থিক চাপ অনেকটাই কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই প্রকল্পে মোট ৪০৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। কৃষকদের চাষের কাজে যন্ত্রনির্ভরতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
নিজের পছন্দের সংস্থা থেকেই ট্র্যাক্টর কেনা যাবে
এই প্রকল্পে কৃষকদের জন্য আরও একটি সুবিধা থাকছে। ট্র্যাক্টর কেনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও সংস্থার কাছ থেকেই যন্ত্র কিনতে হবে না। কৃষক নিজের পছন্দ অনুযায়ী যে কোনও সংস্থার কাছ থেকে ট্র্যাক্টর কিনতে পারবেন। নিজের জমিতে চাষের পাশাপাশি সেই ট্র্যাক্টর ভাড়ায় দিয়ে অতিরিক্ত আয় করার সুযোগও থাকছে। ফলে কৃষিযন্ত্রকে শুধুমাত্র চাষের উপকরণ হিসেবে নয়, আয়ের একটি মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন উপভোক্তারা।
লটারিতে হবে উপভোক্তা বাছাই (Govt Scheme)
সরকারি সুবিধা বণ্টনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার লটারি পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে উপভোক্তা নির্বাচন করা হবে। এর ফলে সরকারি সাহায্য পাওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি যোগ্য কৃষকদের সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:Cyber Crime: নিউটাউনে আন্তর্জাতিক ফেক কল সেন্টারের হদিস, গ্রেফতার ২৪
কারা পাবেন এই সুবিধা?
এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। পাশাপাশি আবেদনকারীর কৃষক বন্ধু অথবা PM-KISAN আইডি থাকা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ এই দুই প্রকল্পের কোনও আইডি না থাকলে সংশ্লিষ্ট কৃষক এই সুবিধার আওতায় আসতে পারবেন না।



