Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab) ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঝড়ের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। বুধবার সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলবর্তী কোনও এলাকায় স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সর্বোচ্চ গতিবেগ পৌঁছতে পারে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারে।
অন্ধ্রপ্রদেশে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন (Cyclone Arnab)
ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশের (Cyclone Arnab) একাধিক জেলায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যে ৫৩টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ওড়িশাতেও কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে। দক্ষিণ ওড়িশার গঞ্জাম, গজপতি, রায়গাড়া, মালকানগিরি, কোরাপুট ও নবরংপুরে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিচু এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজও চলছে।
কোথায় পড়বে প্রভাব? (Cyclone Arnab)
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলেও। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দফতর।
সমুদ্র উত্তাল হওয়ার সম্ভাবনায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকে প্রচার চালিয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করছে প্রশাসন। দুর্যোগ মোকাবিলায় সিভিল ডিফেন্স কর্মীদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে বিহার ও পূর্ব উত্তরপ্রদেশেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


