Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বারুইপুরের ঘটনার ছায়া এবার উত্তর ২৪ (Gaighata Assault Case) পরগনার গাইঘাটায়। একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া প্রহ্লাদ দাসের মৃত্যু হল পুলিশের গুলিতে। মঙ্গলবার ভোররাতে অপরাধস্থলে ঘটনার পুনর্নির্মাণের পর ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি পুলিশের। তবে ঠিক কী পরিস্থিতিতে গুলি চলেছিল, তা নিয়ে এখনও একাধিক প্রশ্ন রয়েছে।
পুলিশের কী বক্তব্য? (Gaighata Assault Case)
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তের প্রয়োজনে (Gaighata Assault Case) ধৃত প্রহ্লাদকে ভোররাতে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার সময় এক পুলিশ আধিকারিকের সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেয় সে। এরপর পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই সময় এক পুলিশকর্মী খালে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণে বাঁচেন বলে দাবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে আত্মরক্ষার্থে অন্য এক আধিকারিক পাল্টা গুলি চালান। তাতে গুলিবিদ্ধ হয় প্রহ্লাদ। পরে তাকে বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা (Gaighata Assault Case)
ঘটনার পর প্রহ্লাদের দেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কত রাউন্ড গুলি চলেছে এবং গোটা সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি কী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সকালে গাইঘাটা থানা এলাকায় ওই ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, মেয়েটিকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তদন্তে নেমে প্রহ্লাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরিবারের দাবি ছিল, এই ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। পুলিশ জানিয়েছিল, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: Kolkata Corporation: পুরভোটের আগেই আইনি জট! কলকাতার ডিলিমিটেশন ঘিরে হাইকোর্টে মামলা
এর আগে বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের মামলাতেও ঘটনার পুনর্নির্মাণে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের গুলিতে ধৃতের মৃত্যু হয়েছিল। গাইঘাটার ঘটনায়ও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।


