Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভাঙড়ের উত্তর কাশীপুর থানার সোনপুর এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে এক রাজমিস্ত্রির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং বোমাবাজির অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে (Naushad Siddiqui)। অভিযোগের তির উঠেছে আইএসএফের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে এবার এলাকাবাসীর প্রশ্নের মুখে পড়লেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
আক্রান্ত মাজেদ গোলদারের অভিযোগ, গত রবিবার ভোররাতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে তাঁর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর এবং লুটপাটের পাশাপাশি বোমাবাজি করা হয় বলেও অভিযোগ। হামলার সময় তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মাজেদ। ঘটনায় আইএসএফ নেতা সাজ্জাদ মোল্লা ও সাকবাদ মোল্লা-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।
চারজন গ্রেফতার, আদালতে পেশ (Naushad Siddiqui)
ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করেছে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিবাদ কীভাবে হামলা ও বোমাবাজির অভিযোগে গড়াল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও তৈরি হয়েছে। কারণ, অভিযুক্তদের মধ্যে আইএসএফের নেতা-কর্মীদের নাম উঠে আসায় দলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
‘তিন দিন পর কেন?’ প্রশ্ন এলাকাবাসীর (Naushad Siddiqui)
ঘটনার প্রায় তিন দিন পর আক্রান্ত পরিবারের বাড়িতে পৌঁছন নওশাদ সিদ্দিকী। আর সেখানেই বিধায়ককে ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন, ঘটনার পর এতদিন কেন আইএসএফের কোনও নেতা বা কর্মী আক্রান্ত পরিবারের খোঁজ নিতে এলেন না? এলাকাবাসীর এই প্রশ্নের মুখে নওশাদের বক্তব্য, যেহেতু অভিযোগের তির আইএসএফের কয়েকজনের দিকে উঠেছে, তাই তিনি দলের অন্য নেতা-কর্মীদের ঘটনাস্থলে যেতে নিষেধ করেছিলেন। নিজে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরই কথা বলতে চেয়েছিলেন বলে জানান তিনি(Nitin Nabin)।
আরও পড়ুন: Government Job: রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারের পাশে রাজ্য, মিলবে গ্রুপ-ডি চাকরি
‘দোষী হলে রেয়াত নয়’, আশ্বাস নওশাদের
আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলে নওশাদ সিদ্দিকী আশ্বাস দেন, ঘটনার সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাকুক, দোষ প্রমাণিত হলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার কথাও জানান তিনি।



