Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোটার তালিকা নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা অটুট থাকে, সে লক্ষ্যে এবার আরও সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Fake Voter)। শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (Chief Electoral Officers) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
বৈঠকে কারা উপস্থিত? (Fake Voter)
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের অন্য দুই সদস্য সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশী (Fake Voter)। বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে ‘ভুয়ো ভোটার’ এবং একাধিকবার নাম থাকা (ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর) সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করা। পশ্চিমবঙ্গের তরফে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল, অতিরিক্ত মুখ্য আধিকারিক দিব্যেন্দু দাস এবং বিজিত ধর। ভোটার তালিকার দায়িত্বে থাকা দিব্যেন্দু দাস এই আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি (Fake Voter)
কমিশনের তরফে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে যে, স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে (Fake Voter)। শুক্রবারের এই বৈঠকে সেই পদক্ষেপগুলির অগ্রগতি, বাস্তবায়ন ও রাজ্যস্তরে সমস্যা চিহ্নিত করার বিষয়েই বিশদ আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকের বিস্তারিত বিবরণ শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম (Fake Voter)
প্রসঙ্গত, মাসখানেক আগেই ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম থাকার অভিযোগ নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল (Fake Voter)। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিষয়টি রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন, বাংলার বাসিন্দাদের নাম বাদ দিয়ে বাইরের লোকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে এবং একটি ‘ভূতুড়ে ভোটার’-নির্ভর ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা ‘ভুয়ো ভোটার’ চিহ্নিত করতে বিশেষ অভিযানে নামেন।

সময়সীমার মধ্যে সংশোধনের নির্দেশ (Fake Voter)
এই প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল যে, ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর বা একাধিক ভোটার কার্ডধারী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে একটি বিশেষ প্রকল্প শুরু করা হয়েছে (Fake Voter)। এই প্রকল্পের মেয়াদ তিন মাস ধরে চলবে এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে সময়সীমার মধ্যে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফেরাতে ও ভবিষ্যতের নির্বাচনকে আরও বিশ্বাসযোগ্য ও বিতর্কহীন করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের মত। ডিজিটাল ভোটার ভেরিফিকেশন, আধার সংযুক্তিকরণ, এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে।ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক যে কেবল রাজনৈতিক নয়, গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের প্রশ্ন, তা এবার কমিশনের সক্রিয় পদক্ষেপে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল (Fake Voter)। এখন দেখার, বাস্তব ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনাগুলির প্রয়োগ কতটা সফল হয়।


