Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বর্ষার দুপুর মানেই বাঙালির মনে (Thakurbarir Ilish Recipe) একটাই শব্দ ঘোরে-ইলিশ! অথচ, ইলিশ মানেই কি কেবল সর্ষেভাপা, তেল ইলিশ, বা ঝোল? না, যুগে যুগে রকমারি ইলিশের প্রস্তুতিই বাঙালির পাত সাজিয়েছে। তার মধ্যেই এক অনন্য অধ্যায় রচনা করেছে ঠাকুরবাড়ির হেঁশেল। আর সেই সোনালি অধ্যায়ের পাতাতেই রয়েছে এমন একটি ইলিশের রেসিপি, যা আজও চিরসবুজ।
ইলিশ উৎসব (Thakurbarir Ilish Recipe)
আসন্ন সপ্তাহান্তে বর্ষার সম্ভাবনা থাকলেও মনখারাপ (Thakurbarir Ilish Recipe) নয়-বরং এটাকেই করুন ইলিশ উৎসব পালনের উপলক্ষ। একেবারে ঘরোয়া উপকরণে বানিয়ে ফেলুন ঠাকুরবাড়ির ঘরানার এক অসাধারণ ইলিশের পদ। এই রান্নায় নেই অতিরিক্ত ঝাঁঝ, নেই অতিরিক্ত মশলার ছড়াছড়ি-আছে শুধু ঘি, পেঁয়াজ, আদা-রসুন আর কিছু কাঁচা লঙ্কার ছোঁয়া।
প্রয়োজনীয় উপকরণ (Thakurbarir Ilish Recipe)
- ইলিশ মাছ – ৪টি মাঝারি টুকরো
- পেঁয়াজ – ৪টি (তিনটি বাটা, একটি কুচি করে কাটা)
- আদা – ২ গাঁট
- রসুন – ৬-৭ কোয়া
- কাঁচা লঙ্কা – ৫-৬টি
- টক দই – ২ টেবিল চামচ
- ঘি – ৩-৪ টেবিল চামচ
- শুকনো লঙ্কা – ২-৩টি
- চিনি – ১ চা চামচ
- নুন – স্বাদমতো
রান্নার পদ্ধতি
প্রথমে ইলিশ মাছ ভালো করে ধুয়ে নিন। এবার একটি মিক্সারে তিনটি পেঁয়াজ, আদা, রসুন এবং কাঁচা লঙ্কা দিয়ে মিহি করে বেটে নিন। অন্যদিকে একটি পেঁয়াজ কুচি করে নিন এবং টক দই, নুন, চিনি একসঙ্গে ফেটিয়ে রেখে দিন। এই বাটা মশলার একটু অংশ নিয়ে মাছ মেখে রেখে দিন কমপক্ষে আধ ঘণ্টা।
একটি কড়াইয়ে ঘি গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি ভেজে বেরেস্তা বানিয়ে আলাদা তুলে রাখুন। এরপর ম্যারিনেট করা মাছগুলো হালকা ভেজে তুলে নিন।

ঘিয়ে এবার ফোড়ন দিন শুকনো লঙ্কা। তারপরে দিয়ে দিন বাকি বাটা মশলা। কাঁচা গন্ধ চলে গেলে দই মেশানো অংশ দিয়ে ভালো করে নেড়েচেড়ে দিন, খেয়াল রাখবেন দই যেন না ফেটে যায়। তেল ছেড়ে এলে তাতে ভাজা মাছ ঢেলে দিন।
আরও পড়ুন: Kolkata Metro Rail: জোর করে আটকাবেন মেট্রোর দরজা! জরিমানা হতে পারে কিন্তু
মসলা আর মাছ একসঙ্গে ভালো করে মিশে গেলে চাপা দিয়ে দিন কয়েক মিনিট রান্না করুন। শেষে ওপরে ছড়িয়ে দিন বেরেস্তা।
ব্যস! ঠাকুরবাড়ির ঘরানার অনন্য স্বাদের ইলিশ পরিবেশনের জন্য একেবারে তৈরি। ভাতের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন, আর দেখে নিন কীভাবে এক বৃষ্টিভেজা দুপুর হয়ে ওঠে স্মরণীয়। এবারকার বর্ষায়, খাবারের পাতেও থাকুক সাহিত্যের সুবাস।


