Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: অফিস যেতে দেরি হবে (Morning breakfast), সকালের বাস,ট্রেন কিংবা মেট্রো মিস করবেন। সেই সব ভেবে সকালে জলখাবার খাচ্ছেন না, কি ঠিক বললাম তো? নিজের অজান্তেই শরীরে রোগের বাসা বাঁধছেন। সময়মতো ব্রেকফাস্ট না করা আজকাল অনেকের নিত্যদিনের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফিসে যাওয়ার তাড়া, সকালের ব্যস্ততা, কিংবা ট্রেন–বাস–মেট্রো ধরার চিন্তায় অনেকেই জলখাবার খাওয়া এড়িয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাস যতটা সাধারণ মনে হয়, শরীরের জন্য ততটাই ভয়ঙ্কর।
শরীরকে বিপদের মুখে আনা (Morning breakfast)
চিকিৎসকরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন (Morning breakfast)—সকালের জলখাবার হলো দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। দীর্ঘ ৮–৯ ঘণ্টা ঘুমানোর পর শরীর খালি থাকে। তখন ব্রেকফাস্ট না করলে শক্তির অভাব দেখা দেয়। সারাদিন ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, মনোযোগে ঘাটতি—এসব সমস্যায় ভুগতে হয়।
নানা রোগের আশঙ্কার জন্ম দেওয়া (Morning breakfast)
যদি নিয়মিত ব্রেকফাস্ট বাদ দেন, তাহলে শরীরে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি হতে শুরু করে। এর ফলে মেটাবলিজম দুর্বল হয়ে যায়, হজমজনিত নানা সমস্যা যেমন—অ্যাসিডিটি, বদহজম, গ্যাসের সমস্যা, পেট ফাঁপা—বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে শরীর বেশি ক্যালোরি চাইতে শুরু করে, আর তখনই ফ্যাট ও চিনি জাতীয় খাবারের প্রতি ঝোঁক বেড়ে যায়। যার সরাসরি ফল—ওজন বৃদ্ধি।
ডায়াবেটিস ও হার্টের ঝুঁকি
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া মানুষের টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। সকালে খাবার না খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে, যা দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিসে রূপ নিতে পারে। শুধু তাই নয়, এতে হার্টের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের ক্ষতি
চিকিৎসকরা আরও বলছেন, নিয়মিত ব্রেকফাস্ট না করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায়। স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়, মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়, এমনকি দীর্ঘমেয়াদে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। অর্থাৎ, সকালের খাবার না খেলে ভাবনা-চিন্তার ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন: Healthy diet: কি ভাবছেন, নো অয়েল ডায়েট! এ আবার হয় নাকি?
কীভাবে হওয়া উচিত ব্রেকফাস্ট?
পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের জলখাবারে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ খাবার থাকা জরুরি। যেমন—ডিম, দুধ, ফল, ওটস, বাদাম, সবজি ইত্যাদি। এগুলো শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় এবং দিনভর সক্রিয় রাখে।


