Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরু (Heatwave in Europe), এই সময়টা ইউরোপের বড় অংশের জন্য যেন দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে। একের পর এক তাপপ্রবাহে পুড়ছে ফ্রান্স, স্পেন, ইটালি, গ্রিস-সহ পশ্চিম ইউরোপের একাধিক দেশ। কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরিয়ে ৪৬-এ পৌঁছেছে, কোথাও দাবানল আরও জটিল করে তুলেছে পরিস্থিতি।
তীব্র গরমের সতর্কতা জারি (Heatwave in Europe)
বিশেষ করে ফ্রান্সে গরমের প্রকোপ এতটাই বেড়েছে যে দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকায় (Heatwave in Europe) তীব্র গরমের সতর্কতা জারি করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। প্যারিসের ডেপুটি মেয়র পর্যন্ত আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, অদূর ভবিষ্যতে শহরের পারদ ছুঁতে পারে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস! জলবায়ু বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং কয়েক দশক আগে দেওয়া সতর্কতারই বাস্তব রূপ।
তাপপ্রবাহের আশঙ্কা সত্যি (Heatwave in Europe)
২০১৯ সালে প্যারিসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ৪২.৭ ডিগ্রি (Heatwave in Europe)। তখন থেকেই গবেষকেরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে ইউরোপে উষ্ণতা বিশ্ব গড়ের তুলনায় দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। এবারের তাপপ্রবাহ সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে তুলেছে।
দাবানল জেরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ
শুধু ফ্রান্স নয় স্পেন, গ্রিস, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়ার মতো দেশও সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। স্পেনের কিছু এলাকায় পারদ পেরিয়েছে ৪৬ ডিগ্রি, ফ্রান্সে বন্ধ করতে হয়েছে প্রায় ১৯০০ স্কুল। অন্যদিকে, গ্রিস ও ক্রোয়েশিয়ায় দাবানল জেরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ।
আরও পড়ুন: Delhi CM Rekha Gupta: সাতসকালে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, হাসপাতালে ভর্তি রেখা!

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং ইউরোপীয় জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলির মতে, এই ধরনের গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহ ভবিষ্যতে আরও ঘন ঘন এবং মারাত্মক হয়ে উঠবে, যদি এখনই কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়। আবহাওয়ার এমন চরম রূপের মুখোমুখি হয়ে, ইউরোপ এখন কার্যত জলবায়ু সংকটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। সময়ের আগে প্রস্তুতি না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে প্রকৃতি।


