Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যিক (Donald Trump) সম্পর্ক যখন শুল্ক নিয়ে জটিল অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সেই সময় হোয়াইট হাউসে দীপাবলি উদযাপন করলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলোর উৎসবে অংশ নিয়ে ভারতীয়দের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসাও করলেন তিনি।
হোয়াইট হাউসের দীপাবলি অনুষ্ঠান (Donald Trump)
হোয়াইট হাউসের দীপাবলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের (Donald Trump) একাধিক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি। এফবিআই ডিরেক্টর কাশ প্যাটেল, জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের ডিরেক্টর তুলসী গ্যাবার্ড, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই এবং আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন ওয়াত্রাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বহু ভারতীয়-আমেরিকান শিল্পপতি ও সমাজের বিশিষ্টজনেরা।
মোদীর প্রশংসায় ট্রাম্প (Donald Trump)
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “এই প্রদীপ আলোর প্রতীক (Donald Trump), যা অন্ধকারকে জয় করে, জ্ঞান দিয়ে অজ্ঞতাকে দূর করে, এবং মন্দের বিরুদ্ধে ভালর বিজয় ঘোষণা করে।” তিনি দীপাবলির এই তাৎপর্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেন ভারতীয় সংস্কৃতির গুরুত্ব বোঝাতে। তবে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং সাম্প্রতিক শুল্ক-বিরোধ। দীপাবলির পর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি সেই দিনই প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, “মোদী এক মহান মানুষ। এখন তিনি আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে উঠেছেন।”
আরও পড়ুন: Camel in India: ভারতে উট বিপন্ন! উট বাঁচাতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্র
একাধিক বিষয়ে আলোচনা
যদিও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তবুও ট্রাম্প স্পষ্ট করে দেন, বাণিজ্যই ছিল তাঁদের আলোচনার প্রধান বিষয়। সাম্প্রতিক অতীতে তিনি একাধিকবার ভারতের রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেছেন, যদি ভারত রাশিয়া থেকে আমদানি বন্ধ না করে, তাহলে তাদের অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে।
কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা
এই প্রসঙ্গে তিনি আগেও দাবি করেছিলেন, মোদী নাকি তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবেন। যদিও দিল্লির তরফে এখনও এ বিষয়ে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে কূটনৈতিক মহলে চলছে জোর চর্চা। ভারত ইতিমধ্যেই ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিমুখী নীতির কড়া সমালোচনা করেছে। নয়াদিল্লির মতে, ট্রাম্প যেই সময় ভারতের তেল কেনায় আপত্তি জানান, ঠিক সেই সময় আমেরিকার সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্যও বেড়েছে, যেটা খোদ পুতিন স্বীকার করেছেন।


