Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতা থেকে লখনউ-প্রায় ৯৯৫ (High Speed Train) কিলোমিটার পথ। এখন প্লেনে গেলে প্রায় ২ ঘণ্টা লাগে, তার সঙ্গে চেক-ইন, নিরাপত্তা ও বোর্ডিংয়ের ঝক্কি মিলিয়ে আরও কিছুটা সময়। আবার ট্রেনে গেলে ১৫ ঘণ্টার মতো লম্বা সফর। কিন্তু যদি বলা হয়, এই দূরত্ব মাত্র ১ ঘণ্টায় পেরিয়ে ফেলা সম্ভব? অবিশ্বাস্য মনে হলেও, ভবিষ্যতে সেটাই হতে চলেছে বাস্তব!
নতুন প্রজন্মের হাই-স্পিড ট্রেন (High Speed Train)
\চিনে তৈরি হয়েছে এক নতুন প্রজন্মের হাই-স্পিড ট্রেন-নাম CR450 (High Speed Train) । সম্প্রতি এই ট্রেনের ট্রায়াল রান হয়েছে, আর সেখানেই সেটি ঘণ্টায় ৮৯৬ কিলোমিটার গতিবেগ তুলেছে। অর্থাৎ, কলকাতা থেকে লখনউ যেতে এই ট্রেনে সময় লাগবে ১ ঘণ্টার সামান্য বেশি, আর দিল্লি পৌঁছতে প্রায় ২ ঘণ্টা।
বিশ্বজুড়ে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু (High Speed Train)
চিনের রেল প্রযুক্তির নতুন এই মাইলফলক ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে চর্চার (High Speed Train) কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, CR450 ট্রেনটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হলে এটি বিশ্বের দ্রুততম ট্রেন হিসেবে জায়গা করে নেবে। কারণ এখন পর্যন্ত জাপানের ম্যাগলেভ ট্রেনের রেকর্ড সর্বাধিক, যার গতি ছিল ঘণ্টায় ৬০৩ কিলোমিটার। নতুন চীনা ট্রেন সেই রেকর্ড ভেঙে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

ট্রায়াল রানে অংশ
জানা গিয়েছে, এই ট্রেনটি প্রথম পর্যায়ে চলবে সাংহাই থেকে চেংদু রুটে। বর্তমানে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে CR450, তবে যাত্রী পরিষেবায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করার আগে এটি প্রায় ৬ লক্ষ কিলোমিটার ট্রায়াল রানে অংশ নেবে।
আরও পড়ুন: Cyclone Mantha Effect: মন্থার প্রভাব অব্যাহত, উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা জারি, দক্ষিণেও চলবে বৃষ্টি
চায়না অ্যাকাডেমি অফ রেলওয়ে সাইন্সের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় তৈরি এই ট্রেনটি সম্পূর্ণ আধুনিক, হালকা ও শক্তিশালী বডি স্ট্রাকচারে নির্মিত। প্রতি ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার বেগে নিয়মিত দৌড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই এটি তৈরি হচ্ছে। এর নকশা এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে বায়ু প্রতিরোধ কমে ও শক্তির খরচও তুলনামূলকভাবে কম হয়।


