Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যজুড়ে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ (Baruipur)। এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন BLO দের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের BLA রাও। এই কাজ চলাকালীনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা এলাকার বেগমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০০ কলোনি অঞ্চলে ঘটে যায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ (Baruipur)
অভিযোগ উঠেছে, এলাকার বিজেপি সমর্থিত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও BLO অঞ্জনা মণ্ডল-এর পরিচয়পত্র ছিঁড়ে দেন কিছু তৃণমূল কর্মী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এই ঘটনার সূত্রপাত হয় রাজনৈতিক তর্কবিতর্ক থেকে। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
চড় মারার অভিযোগ (Baruipur)
পরিচয়পত্র ছেঁড়ার ঘটনার পর, বিজেপির BLA সুরজিৎ বিশ্বাস-কে প্রকাশ্যে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে। এই সময় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন বেগমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান রিয়া বর্মনের স্বামী চয়ন বর্মন। অভিযোগ, চয়ন বর্মনের নেতৃত্বে একদল তৃণমূল কর্মী সুরজিৎ বিশ্বাসকে বেধড়ক মারধর করেন।

বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা (Baruipur)
ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব তাপস রায় হামলার প্রতিবাদ করতে গেলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। জানা গেছে, তার মাথা ও কপালে গুরুতর আঘাত লাগে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় চিকিৎসার জন্য।
পুলিশে অভিযোগ দায়ের (Baruipur)
ঘটনার পর বিজেপি পক্ষ থেকে বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব চয়ন বর্মনের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়। বিজেপি দাবি করেছে, এটি সম্পূর্ণরূপে পরিকল্পিত রাজনৈতিক হামলা, যাতে প্রশাসনিক কাজ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হয়েছে।
অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার পাল্টা দাবি (Baruipur)
সূত্রের খবর, অভিযোগ অস্বীকার করে চয়ন বর্মন জানান, “বিজেপির BLA ও BLO নিজেরা মদ্যপ অবস্থায় অশালীন ভাষা ব্যবহার করে গালিগালাজ করেছে। নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি করেই পরে তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে।” চয়নের দাবি, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রঙ দিতে চাইছে বিজেপি, বাস্তবে তৃণমূল কর্মীদের কেউই হামলার সঙ্গে যুক্ত নয়।
আরও পড়ুন: Defence Sector Stock: আজ নজর রাখুন ডিফেন্স সেক্টরের এই স্টকে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

রাজনৈতিক উত্তেজনা
ঘটনার পর থেকেই ২০০ কলোনি এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



