Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
হিটলার ভৌমিক, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকা হিলিতে (Hili Border Arrest) আবারও তৎপরতা বেড়েছে সীমান্তরক্ষী ও পুলিশ প্রশাসনের। সোমবার রাতে বাসুদেবপুর এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ধরা পড়েন এক বাংলাদেশি নাগরিক। তাঁর নাম মোহাম্মদ মাসুম, বাড়ি চট্টগ্রামের লক্ষীপুর গ্রামে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, তিনি প্রায় ছয় মাস আগে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। তারপর সরাসরি চেন্নাইয়ে গিয়ে এক নির্মাণ সংস্থায় ওয়েল্ডিং মেকানিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ (Hili Border Arrest)
ছ’মাস কাজের পর বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন (Hili Border Arrest) মাসুম। ঠিক সেই সময়ই হিলিতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে স্থানীয় পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যায়। পুলিশের গাড়ি দেখতে পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ধরা পড়ে যান তিনি। মঙ্গলবার তাঁকে বালুরঘাট আদালতে তোলা হয় এবং আদালত পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
স্থানীয় এক দালাল (Hili Border Arrest)
পুলিশের দাবি, মাসুমকে ভারতে আনতে সাহায্য করেছিল (Hili Border Arrest) স্থানীয় এক দালাল। সেই দালালকে খুঁজতে শুরু করেছে তদন্তকারী দল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গোয়েন্দা শাখা এখন খতিয়ে দেখছে, ধৃত বাংলাদেশি নাগরিকের ভারতের অভ্যন্তরে অন্য কোনো যোগাযোগ ছিল কি না, কিংবা সাম্প্রতিক সন্ত্রাসঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ আছে কি না।
আরও পড়ুন: PM Modi: আহতদের দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সন্ধ্যায় নিরাপত্তা বৈঠক
ঠিক এই সময়েই, রাজধানী দিল্লিতে লালকেল্লার বাইরে ঘটে গিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এনএসজি কম্যান্ডো ও এনআইএ আধিকারিকরা তদন্তে নেমেছেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে আশেপাশের এলাকায় ১ কিলোমিটার জুড়ে কম্পন অনুভূত হয়। বিস্ফোরণস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল গাড়ির ধাতব অংশ, এমনকি কিছু দেহাংশও পাওয়া গিয়েছে ১০০ থেকে ২০০ মিটার দূর পর্যন্ত। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা শুরু করেছেন।
তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিস্ফোরণ ভারতের মাটিতে সক্রিয় কোনও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের ছক হতে পারে। ফলে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে, বিশেষত দক্ষিণ দিনাজপুর ও উত্তরবঙ্গের অন্যান্য এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, সীমান্তপথে কোনও জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্য ভারতে প্রবেশ করেছে কি না, তা এখন গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


