Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ডিমের দাম(Egg Prices Hike)। হাত দিলেই ছেঁকা লাগার উপক্রম। শীত পড়তে না পড়তেই ডিমের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খুচরো বাজারে এক একটি ডিমের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট থেকে সাড়ে আট টাকা। এক পেটি, অর্থাৎ ৩০টি ডিমের দাম কোথাও ২৪০ আবার কোথাও ২৫০ টাকা। ডিমবিক্রেতাদের আশঙ্কা, বড়দিন ও নতুন বছরের উৎসবের আগে এক একটি ডিমের দাম ১০ টাকায় পৌঁছোতে পারে। সেক্ষেত্রে জোগান এবং চাহিদা সংক্রান্ত সামঞ্জস্যের ঘাটতিতে ডিমের দাম এমন বাড়তে পারে।
ডিমের দাম বৃদ্ধিতে মমতার নিশানায় কেন্দ্র!(Egg Prices Hike)
মঙ্গলবার নবান্নে ১৪ বছরে কী কী উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কাজ করেছে, তার খতিয়ানই পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। পুরো খতিয়ানকে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ নাম দেন মমতা। এদিন বৈঠক থেকে ডিমের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গটি তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার কথায়, ‘‘ডিম নিয়ে অনেকে বড় বড় কথা বলছেন। মনে রাখবেন, আমরা ১২টি রাজ্যে ডিম পাঠাই। আর ডিমের দাম(Egg Prices Hike) কেন বেড়েছে, তা নিয়ে যাঁরা কথা বলছেন, তাঁদের বলব, তাঁরা যেন তাঁদের নেতাদের গিয়ে জিজ্ঞেস করেন, প্রতি বছর মুরগিদের খাবারের দাম ১২ শতাংশ করে কেন বাড়াচ্ছে কেন্দ্র? আমরা ভুট্টাচাষ করে চেষ্টা করছি মুরগিদের খাবার জোগান দেওয়ার। ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ এখন বাংলায় উৎপাদন হচ্ছে। পেঁয়াজের হিমঘর তৈরি হয়েছে।’’
উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও খরচের খতিয়ান(Egg Prices Hike)
মুখ্যমন্ত্রী জানান, খাদ্যসাথী প্রকল্পে ৯ কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছেন। রাজ্যের খরচ হয়েছে এক লক্ষ ন’হাজার কোটি টাকা। ‘দুয়ারে রেশন’-এর মাধ্যমে ৭ কোটি ৪১ লক্ষ মানুষ সুবিধা পেয়েছেন, যার জন্য খরচ হয়েছে ১,৭১৭ কোটি টাকা। ‘বিনামূল্য সামাজিক সুরক্ষা যোজনা’-এর খাতে খরচ হয়েছে ২,৮০০ কোটি টাকার বেশি, সুবিধা পেয়েছেন ১ কোটি ৯২ লক্ষ মানুষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলায় কৃষি, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়নের যজ্ঞ চলমান। তিনি জানান, রাজ্য নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প চালাচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দেওয়া বন্ধ করেছে। রাজ্যের পাওনা ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা এখনও দেওয়া হয়নি।
কেন্দ্রের টাকা ফেরত নিয়ে আশঙ্কা(Egg Prices Hike)
আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোট। ফেব্রুয়ারি মাসে পাওনা টাকা কেন্দ্র দিতে পারে। আবার মার্চ মাসে ওই টাকা ফেরতও নিয়ে নিতে পারে, সেই আশঙ্কা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতি অর্থনৈতিক বছরে টাকা খরচ করতে না পারলে, ওই টাকা ফেরত চলে যায়। এত কম সময়ে কেন্দ্র টাকা দিয়ে খরচ করতে না পারার অভিযোগ তুলে তা ফেরত নিতে পারে। এই চালাকি এখন বোঝা যায়। এমনই জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রকল্পগুলিতে কেন্দ্র টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। সেই নিয়ে ফের তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: Election Commission: রাজ্যের ২২০৮ বুথে নেই কোনও মৃত ভোটার? জেলাশাসকদের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের


