Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গঙ্গাসাগর তীর্থস্থান দেশের অন্যতম পবিত্র স্থান। কথায় আছে (Gangasagar Mela), “সব তীর্থবারবার, গঙ্গাসাগর একবার”, অর্থাৎ অন্যান্য তীর্থে বারবার যে পূণ্য অর্জন হয়, তা একবার গঙ্গাসাগরে এসে অর্জিত সম্ভব। এখানে গঙ্গা নদী সমুদ্রের সঙ্গে মিলিত হয়, যা স্থানটির মাহাত্ম্যকে আরও বৃদ্ধি করে। ২০২৫ সালের গঙ্গাসাগর মেলা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি এবং চলবে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। মকর সংক্রান্তির দিন এখানে পুণ্যস্নানের জন্য দেশজুড়ে মানুষ সমবেত হন। এবার মেলায় অংশগ্রহণকারী পুণ্যার্থীর সংখ্যা ইতিমধ্যেই কয়েক লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে।

কর্নস্টার্চ ব্যাগ (Gangasagar Mela)
এই বছর মেলায় বিশেষভাবে পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্লাস্টিকের ব্যাগের পরিবর্তে বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে কর্নস্টার্চ ব্যাগ। পরিবেশ বান্ধব: সম্পূর্ণ বায়োডিগ্রেডেবল, প্লাস্টিকমুক্ত। দৈনন্দিন ব্যবহার: নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বহনের জন্য ব্যবহারযোগ্য। উদ্দেশ্য: প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস করা এবং সমুদ্র ও সৈকতের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা।
দূষণ রোধে ফলোটিং ডেব্রিস ব্যারিয়ার (Gangasagar Mela)
মেলার সময় সমুদ্র ও সৈকত পরিষ্কার রাখার জন্য স্থাপন করা হয়েছে ১.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ফলোটিং ডেব্রিস ব্যারিয়ার। কার্যকারিতা: সমুদ্রে যাওয়া বর্জ্য যেমন ফুল, মালা ও অন্যান্য আবর্জনা আটকানো। স্বেচ্ছাসেবক ও সাগর পুলিশ: ২৫ ডিসেম্বরের পরে দিন-রাত সমুদ্র পরিষ্কার রাখার কাজে অবদান রাখবেন।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: আজ জনসভায় বিশেষ নির্দেশিকা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী
পুণ্য ও পরিবেশ সচেতনতা
গঙ্গাসাগর মেলা শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব নয়। এটি পরিবেশ সচেতনতা এবং সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার মিলনস্থল। পুণ্যস্নানের সঙ্গে সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবীরা সৈকত ও সমুদ্র পরিষ্কার রাখছেন। ২০২৫ সালের গঙ্গাসাগর মেলা প্রমাণ করেছে যে, আধ্যাত্মিকতা ও পরিবেশ সচেতনতা একসাথে মিলে মানুষের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।



