Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বারবার জানিয়েছেন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর টান। রাজভবনে পদার্পণের পর থেকেই বাংলা শেখার উদ্যোগ, সরস্বতী পুজোয় ‘হাতেখড়ি’, রবীন্দ্রনাথ থেকে নেতাজির প্রতি শ্রদ্ধা-সব মিলিয়ে তিনি যেন নিজেকে দ্রুত এ রাজ্যের সঙ্গে মানসিকভাবে যুক্ত করতে চেয়েছেন। তবুও এতদিন পর্যন্ত তিনি বাংলার ভোটার হওয়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখাননি। প্রথম নাগরিক হলেও ভোটার তালিকায় নাম তোলার ব্যাপারে তাঁর নীরবতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছিল।
রাজ্যপাল সিদ্ধান্ত বদলালেন (CV Ananda Bose)
অবশেষে, এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সিদ্ধান্ত বদলালেন। সকালে লোকভবনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) এবং সুপারভাইজারদের হাতে তিনি ভোটার হওয়ার আবেদনপত্র জমা দেন। এই আবেদনের মধ্য দিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, বাংলার নাগরিকত্বে নিজের স্থান নিশ্চিত করা তাঁর কাছে আবেগের বিষয়। রাজ্যপাল বলেন, “আমি বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই। যে বাংলায় রবীন্দ্রনাথ শ্বাস নিয়েছিলেন, যে বাংলার সঙ্গে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোসের নাম জড়িয়ে আছে, সেই বাংলারই একজন ভোটার হয়ে থাকতে চাই। আমার পদবি বোস-এই ভাবগত ও সাংস্কৃতিক সংযোগ আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।”

আবেদন গ্রহণ (CV Ananda Bose)
বৃহস্পতিবার সকালে চৌরঙ্গী বিধানসভার নির্দিষ্ট (CV Ananda Bose) ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা বিএলও গৌরাঙ্গ মালাকার রাজ্যপালের কাছে পৌঁছন আবেদন গ্রহণ করতে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সুপারভাইজার অশোক তিওয়ারি ও জয়ন্ত ঘোষ। গৌরাঙ্গ জানিয়েছেন, আগেও বেশ কয়েকটি ফর্ম রাজভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তবে রাজ্যপাল সিদ্ধান্ত নেন নতুন ফর্ম পূরণ করে হাতে হাতে জমা দেওয়ার।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: কৃষ্ণনগরের মঞ্চ থেকে কেন্দ্রকে একহাত মমতার!
মত বদলে পুনরায় আবেদন
জানা গেছে, এতদিন রাজ্যপাল কেরলের ভোটার হিসেবেই নিবন্ধিত ছিলেন। তাই নতুন করে বাংলার ভোটার হওয়ার প্রয়োজন নেই বলে শুরুতে মত দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরে মত বদলে পুনরায় আবেদন জানান। আইনের দিক থেকে, রাজ্যপাল পদে থাকা ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভোটার হওয়ার অধিকার রয়েছে। সেই প্রক্রিয়াও খুব সহজ-লোকভবন নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠালেই নাম যোগ করা যায়, সাধারণ নাগরিকের মতো যাচাই-বাছাইয়ের দীর্ঘ নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।


