Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শশী থারুর (Shashi Tharoor) ফের কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। শুক্রবার রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে লোকসভা সদস্যদের সঙ্গে দলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু সেখানে দেখা যায়নি তিরুবনন্তপুরমের সাংসদকে। দলের অভ্যন্তরে তার বারবার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও কিছু সংবাদ সূত্র জানিয়েছে, থারুরের এই অনুপস্থিতি নিয়ে দলকে আগাম জানানো হয়েছিল। কংগ্রেসের মুখ্য সচেতনরা বলেছেন, সাংসদের অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ তাঁদের জানা নেই।
অনুপস্থিতির ধারা (Shashi Tharoor)
শশী থারুরের (Shashi Tharoor) সাম্প্রতিক অনুপস্থিতির ধারা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে দেখা যাচ্ছে। এর আগে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে মন্তব্য করার পর। শুক্রবারের বৈঠকের সময় থারুর কলকাতায় ছিলেন প্রভা খৈতান ফাউন্ডেশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে। এর ফলে তিনি সময়মতো দিল্লিতে পৌঁছাতে পারেননি। থারুর নিজেও জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে বৈঠক এড়িয়ে যাননি। ১ ডিসেম্বর তিনি বলেছিলেন, “আমি মিটিং এড়িয়ে যাইনি। কেরল থেকে বিমানে ফিরছিলাম। সময়মতো আসতে পারিনি।”

থারুরের দূরত্ব নিয়ে জল্পনা (Shashi Tharoor)
এর আগে শশী থারুর বিশেষ ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) ইস্যুতে কংগ্রেসের আলোচনায় অনুপস্থিত ছিলেন। তখন তাঁর অফিস জানিয়েছিল, তিনি ৯০ বছরের মায়ের সঙ্গে কেরল থেকে বিমানে ছিলেন এবং সময়মতো দিল্লি পৌঁছাতে পারেননি। এসব ঘটনার ফলে দলের সঙ্গে থারুরের দূরত্ব নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: Tandoori Ban Delhi: নসিবে আর জুটবে না দিল্লির কাবাব, জারি নিষেধাজ্ঞা!
দিল্লিতে গুঞ্জন চলেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক মঞ্চে থাকা, মোদির প্রশংসা করা এবং বিদেশ সফরে সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করার কারণে তারুরের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক আগের মতো নেই। সম্প্রতি তিনি রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র নিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করেছেন, যেখানে নেহরু-গাঁধী পরিবারের উল্লেখ করেছেন। এরপর বিজেপি তার এই লেখার প্রচার করেছে। এছাড়া আডবাণীর প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, “জনসেবার প্রতি ওঁর অঙ্গীকার, বিনয় ও শালীনতা বোধ এবং আধুনিক ভারতের গঠনে ভূমিকা অনুপ্রেরণামূলক।”


