Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জোর কদমে বাংলা-সহ দেশের ১২টি রাজ্যে চলছে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)। বাংলায় এই প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। এবার এই আবহে বঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)।
তাহেরপুর বেছে নেওয়ার রাজনৈতিক তাৎপর্য(Narendra Modi)
খসড়া তালিকা প্রকাশ হলে কত সংখ্যক নাম বাদ পড়তে পারে, তা নিয়ে রাজ্যজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উদ্বাস্তু ও মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে এই আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। সেই কারণেই এবার ‘এক ঢিলে দুই পাখি’কে টার্গেট করে আগামী সপ্তাহে রানাঘাটের তাহেরপুরে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি(Narendra Modi)। তাহেরপুর উদ্বাস্তু গড় বলে পরিচিত। ফলে একযোগে মতুয়া ও উদ্বাস্তু ভোটকে নজরে রেখে মোদির এই কর্মসূচি বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের।
এসআইআর উদ্বেগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা(Narendra Modi)
সম্প্রতি বাঙালি বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi) এসআইআর প্রসঙ্গে সতর্ক থাকার বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে যাতে সাধারণ মানুষের মনে, বিশেষ করে মতুয়া সমাজের মধ্যে কোনও ভয় বা বিভ্রান্তি না তৈরি হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। ‘সমঝে কথা বলার’ মাধ্যমেই মানুষের আস্থা অর্জনের পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।
২৬-এর ভোটের প্রস্তুতিতে বিজেপির রোডম্যাপ
২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় মোট ১০টি জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে নরেন্দ্র মোদির। ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার, দমদম ও দুর্গাপুরে তিনটি জনসভা করেছেন তিনি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাকি সাতটি সভা করার লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি। এসআইআর চলাকালীন রানাঘাট থেকেই পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচির সূচনা হতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাহেরপুরের সভাস্থলে প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: Calcutta High Court : এক দশক পর পার্ক সার্কাস ময়দানে সার্কাসের আয়োজন, জল গড়াল হাইকোর্টে
বিজেপির প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আগামী ২০ তারিখ প্রধানমন্ত্রী তাহেরপুরে জনসভা করবেন। পাশাপাশি বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনও হবে। বিহারের জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, গঙ্গা বাংলা হয়েও যায়। আমরা আশাবাদী, আগামী নির্বাচনে বাংলাতেও পরিবর্তন আসবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঠাকুরনগরের পাশাপাশি রানাঘাট এখন মতুয়া রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্র। সেই কারণেই মতুয়া সমাজের মন বুঝতেই রানাঘাট দিয়ে প্রচারের সূচনা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী।


