Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুক্তরাষ্ট্র-চিন সম্পর্কের জন্য একটি “নতুন ভিশন”-এ সম্মত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানালেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং(US China)। চিনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার প্রকাশিত বিবৃতিতে শি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এখন “গঠনমূলক কূটনৈতিক স্থিতিশীলতা”-র ভিত্তির উ পর দাঁড়াবে।
উইন-উইন পরিস্থিতি (US China)
শি-র ব্যাখ্যায়, এই নতুন সম্পর্কের মূল ভিত্তি হবে সহযোগিতা। পাশাপাশি সীমিত প্রতিযোগিতা, নিয়ন্ত্রিত মতপার্থক্য এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখা হবে। তিনি এটিকে দুই দেশের জন্যই “উইন-উইন” পরিস্থিতি বলে তুলে ধরেন।
ঝুঁকির মুখে আমেরিকা-চিন সম্পর্ক
শি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের উচিত সংঘর্ষের পথে না হাঁটা। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে তথাকথিত “থুসিডিডিস ট্র্যাপ”-এর প্রসঙ্গও। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তত্ত্ব অনুযায়ী, যখন কোনও উদীয়মান শক্তি প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে, তখন দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বর্তমানে অনেক বিশ্লেষকই মনে করেন, চিন ও আমেরিকার সম্পর্ক সেই ঝুঁকির মধ্যেই রয়েছে।
নতুন দৃষ্টান্ত তৈরির সঙ্কল্প
শি প্রশ্ন তোলেন, “চিন ও আমেরিকা কি থুসিডিডিস ট্র্যাপ এড়িয়ে বড় শক্তিগুলির সম্পর্কের নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারবে? আমরা কি একসঙ্গে বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বে আরও স্থিতিশীলতা আনতে পারব?”
শুরুতে সুর চড়ান শি (US China)
তবে বৈঠকের শুরুতে শি-র সুর ছিল অনেক বেশি কড়া। তিনি সতর্ক করে দেন, তাইওয়ান ইস্যু ভুলভাবে সামলানো হলে তা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যুদ্ধের কারণ হতে পারে।
আরও পড়ুন: Sugar Export: চিনি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি ভারতের: প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব বাজারে
বৈঠকের আগে জোর জল্পনা (US China)
বৈঠকের আগে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা ছিল যে শি জিনপিং তাইওয়ান ও ইন্দো-প্যাসিফিক প্রশ্নে চাপ তৈরির কৌশল নেবেন। বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, বাণিজ্য যুদ্ধে পিছিয়ে পড়ার পর ট্রাম্পের হাতে খুব বেশি কূটনৈতিক সুবিধা ছিল না। তাই ট্রাম্পকে ‘ফেস-সেভিং’ দেওয়ার জন্য চিন আমেরিকান পণ্য কেনা বাড়ানো বা যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিনিয়োগের আশ্বাস দিতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছিল।



