Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: লন্ডনে প্রো-প্যালেস্টাইন আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ (Greta Thunberg)। প্যালেস্টাইনপন্থী বন্দিদের অনশন আন্দোলনের সমর্থনে আয়োজিত এই বিক্ষোভে তাঁর উপস্থিতি দ্রুতই নজর কেড়ে নেয়। প্যালেস্টাইনপন্থী বিভিন্ন অ্যাক্টিভিস্ট গোষ্ঠী এই তথ্য নিশ্চিত করে।
নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ (Greta Thunberg)
এই গ্রেফতারকে চলতি বছরে ব্রিটিশ সরকারের নেওয়া এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় যুক্তরাজ্য ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের আন্দোলনকারী সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধেই লন্ডনে একাধিক প্রতিবাদ চলছিল।
টেররিজম অ্যাক্টে গ্রেফতার থুনবার্গ (Greta Thunberg)
‘প্রিজনার্স ফর প্যালেস্টাইন’ আয়োজিত বিক্ষোভটি অনুষ্ঠিত হয় লন্ডনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকায়। মূলত, যেসব প্যালেস্টাইনপন্থী কর্মী বর্তমানে অনশনরত রয়েছেন, তাঁদের মুক্তি ও ন্যায্য আচরণের দাবিতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়। সংগঠনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “গ্রেটা থুনবার্গকে টেররিজম অ্যাক্টের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে।”
প্ল্যাকার্ডে নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতি সমর্থন! (Greta Thunberg)
সংগঠনের দাবি, থুনবার্গ একটি প্ল্যাকার্ড বহন করছিলেন, যেখানে লেখা ছিল— “আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন বন্দিদের সমর্থন করি। আমি গণহত্যার বিরোধিতা করি।” পুলিশের মতে, এই প্ল্যাকার্ডটি নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতি সমর্থন জানানো হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। লন্ডন পুলিশ জানায়, ঘটনার শুরুতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয় ভবনে ভাঙচুরের অভিযোগে। পুলিশ দাবি করেছে, হাতুড়ি ও লাল রং ব্যবহার করে একটি ভবনের ক্ষতি করা হয়েছিল। পরে ঘটনাস্থলে থুনবার্গ পৌঁছান এবং তাঁকে আলাদাভাবে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুন: Murshidabad: সামসেরগঞ্জে পিতা-পুত্র খুনে রায় ঘোষণা: ১৩ জনের যাবজ্জীবনের নির্দেশ জঙ্গিপুর আদালতের
থুনবার্গের গ্রেফতারে যুক্তরাজ্যে নয়া বিতর্ক (Greta Thunberg)
সরকার চলতি বছরের জুলাই মাসে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’-কে নিষিদ্ধ করে, যখন ওই সংগঠনের কর্মীরা একটি বিমানঘাঁটিতে ঢুকে প্রায় ৭ মিলিয়ন পাউন্ড ক্ষতি করে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন বর্তমানে অনশনে রয়েছেন। তাঁদের সমর্থনে চলা আন্দোলন ও গ্রেটা থুনবার্গের গ্রেফতার যুক্তরাজ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ব্যবহার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।



