Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম (Mamata Banerjee) খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ ও প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজনীতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসার পর ৮০ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি। একাধিক শারীরিক জটিলতার কারণে মাসেরও বেশি সময় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পরেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহলে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শোকপ্রকাশ শুরু হয়।
শোক প্রকাশ (Mamata Banerjee)
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বেগম খালেদার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছেন, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা একজন গুরুত্বপূর্ণ জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে আমি শোকাহত। আমি তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং রাজনৈতিক সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই শোকবার্তা দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের গুরুত্বকেও তুলে ধরে।
দীর্ঘ শোকবার্তা প্রকাশ (Mamata Banerjee)
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের (Mamata Banerjee) পক্ষ থেকেও একটি দীর্ঘ শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না, বরং তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অবদান বিশেষভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এবং দেশের স্থিতিশীলতার দিকে নজর দেওয়ায় পরিস্কারভাবে দেখা যায়।
নরেন্দ্র মোদীর শোক প্রকাশ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও খালেদার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। ২০১৫ সালে ঢাকায় খালেদার সঙ্গে তাঁর বৈঠক স্মরণ করে মোদী সামাজিক মাধ্যমে দুইটি ছবিও পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রতি অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।” মোদীর এই বার্তা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্বকেও প্রতিফলিত করে।
আরও পড়ুন: Durga Angan Project: ইউনেস্কো স্বীকৃত দুর্গাপুজোর পর দুর্গা অঙ্গন
রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, “বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদান অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে এবং বিএনপি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।” শেখ হাসিনার এই বার্তায় দেখা যায়, রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকলেও একে অপরের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব।


