Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ১৭ বছরের দীর্ঘ গবেষণার পর বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ভারতের প্রথম দেশীয় ডেঙ্গু টিকা ডেঙ্গিঅল (DengiAll)(Dengue)। দিল্লির ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা প্যানাসিয়া বায়োটেক এবং ভারতীয় চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (ICMR)-এর সহায়তায় তৈরি এই টিকার ফেজ-৩ মানব পরীক্ষার কাজ শেষ বা প্রায় শেষের পথে পৌঁছেছে।
টিকা তৈরিতে ১৫ বছরেরও বেশি সময় (Dengue)
প্যানাসিয়া বায়োটেকের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ডা. সৈয়দ খালিদ আলি জানিয়েছেন, ডেঙ্গিঅল এমন এক সময় সামনে আসছে, যখন বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষ ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে ভুগছেন। সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-কে তিনি বলেন, “ডেঙ্গিঅল তৈরি করতে আমাদের ১৫ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে। প্রতিবছর ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, এই পরিস্থিতিতে প্রতিটি দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ।”
দীর্ঘ পথচলার ফল (Dengue)
২০২৪ সালের অগাস্টে শুরু হওয়া ফেজ-৩ ট্রায়ালে ভারতের প্রায় ২০টি কেন্দ্রে ১০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে বোঝা যায় টিকাটি ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর। ডেঙ্গু কখনও হালকা জ্বর-ব্যথায় সীমাবদ্ধ থাকলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে।
এক ডোজে সুরক্ষা (Dengue)
ডেঙ্গিঅল টিকার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই এক ডোজে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি। ডেঙ্গুর চারটি ভিন্ন স্ট্রেনের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কার্যকর টিকা তৈরি করা অত্যন্ত জটিল কাজ। এর আগের ফেজ-১ ও ফেজ-২ পরীক্ষায় টিকাটি ৭৭ থেকে ৮২ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে সক্ষম হয়েছে।
সামনে কোন কোন ধাপ (Dengue)
এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলিকে টিকার নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট করা। যদি ফেজ-৩ ট্রায়ালের অন্তর্বর্তী বিশ্লেষণে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়, তাহলে দুই বছরের সম্পূর্ণ ফলো-আপ শেষ হওয়ার আগেই টিকার অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারে প্যানাসিয়া বায়োটেক। অনুমোদন পেলে, ডেঙ্গিঅল শুধু ভারতেই নয়, বরং ডেঙ্গুপ্রবণ অন্যান্য দেশেও এক নতুন যুগের সূচনা করতে পারে।



