Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কাতারের সর্বোচ্চ আদালত দোহা ক্যাসেশন কোর্টে ভারতীয় নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারির জামিন আবেদন খারিজ হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে(Qatar Navy Bail)। আর্থিক মামলায় আটক তিওয়ারি বর্তমানে কাতারের কারাগারে রয়েছেন। আটজন প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনার মধ্যে তিনিই একমাত্র যিনি এখনও দেশে ফিরতে পারেননি।
পরিবারের মানবিক আবেদন (Qatar Navy Bail)
তিওয়ারির বোন মীতু ভরদ্বাজ জানান, তাঁর ভাইয়ের শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি হচ্ছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। “হাতজোড় করে অনুরোধ করছি, আর দেরি না করে আমার ভাইকে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক,” বলেন ভরদ্বাজ। তাঁর দাবি, ৬৫ বছর বয়সি তিওয়ারি গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন এবং কারাবাস তাঁর জন্য জীবনসংকটজনক।
ভরদ্বাজের অভিযোগ, দাহরা গ্লোবাল সংস্থার সিইও প্রভাব খাটিয়ে আর্থিক দায়ভার তাঁর ভাইয়ের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন। এমনকি একসময় একা বন্দি রেখে তাঁকে স্বীকারোক্তিতে সই করতেও বাধ্য করা হয়েছে বলে পরিবারের দাবি।
আটজনের মধ্যে একমাত্র বন্দি (Qatar Navy Bail)
২০২২ সালে দোহায় আটজন প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনাকে গ্রেফতার করা হয়। ২০২৩ সালে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও পরে সেই রায় বাতিল হয় এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপে কাতারের আমির সকলকে ক্ষমা করেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাতজন ভারতে ফিরলেও, একই সংস্থায় কর্মরত ও একই পরিস্থিতিতে থাকা সত্ত্বেও পূর্ণেন্দু তিওয়ারিকে আটক রাখা হয়।
স্বাস্থ্য ও পারিবারিক দুশ্চিন্তা (Qatar Navy Bail)
পরিবার জানিয়েছে, তিওয়ারি বহু শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। গত ডিসেম্বর থেকে তিনি পুনরায় কারাগারে এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। তাঁর ৮৭ বছর বয়সি মা সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে ছেলের অপেক্ষায় রয়েছেন।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টা (Qatar Navy Bail)
ভারত সরকার ও দোহায় ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তা তিওয়ারি INS মগর-এর কমান্ডার ছিলেন এবং ২০১৯ সালে প্রবাসী ভারতীয় সম্মান লাভ করেন।



