Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রয়াত হলেন বঙ্গ রাজনীতির এক (Mukul Roy Death) বিতর্কিত অথচ প্রভাবশালী নেতা মুকুল রায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়েরও সমাপ্তি ঘটল। দল গঠনের শুরুর কঠিন সময়ে, যখন অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পাশে দাঁড়াতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, তখন সংগঠনের ভিত মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন মুকুল রায়। বুথস্তর পর্যন্ত সংগঠনের খুঁটিনাটি তাঁর আয়ত্তে ছিল। অনেকেই বলতেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী।
মমতার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা (Mukul Roy Death)
সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় তিনি ছিলেন (Mukul Roy Death) মমতার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা। ২০১১ সালের পরিবর্তনের পরেও প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাজে তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলবদলের কৌশল রচনায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা নেন। এর ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসে।

দূরত্ব বাড়তে শুরু করে (Mukul Roy Death)
তবে সময়ের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে (Mukul Roy Death) শুরু করে। সারদা ও নারদা মামলায় নাম জড়ানো, দলীয় অন্দরে প্রভাব বৃদ্ধি এবং নেতৃত্বের সঙ্গে মতানৈক্য-সব মিলিয়ে সম্পর্কের টানাপড়েন স্পষ্ট হয়। ২০১৭ সালে দীর্ঘ ১৯ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে তিনি যোগ দেন ভারতীয় জনতা পার্টি-তে। ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হন। যদিও তিনি এই একই বছরে আবার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করেন।

আরও পড়ুন: Mukul Roy: রাজনীতির মঞ্চ থেকে বিদায় মুকুল রায়ের
রাজনৈতিক জীবনের ইতি
কিন্তু শেষ পর্বে আর আগের মতো সক্রিয় ছিলেন না। ব্যক্তিগত জীবনের আঘাত এবং শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর আচরণ নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়। বিজেপির বিধায়ক পদ না ছাড়াকে ঘিরে আইনি জটিলতাও দেখা দেয়। এর জের পৌঁছায় আদালত পর্যন্ত। সব মিলিয়ে উত্থান-পতনে ভরা এক রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানলেন মুকুল রায়।


