Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ ৩ মার্চ (Lunar Eclipse March), যা পূর্ণিমার দিনে সিংহ রাশি ও পূর্ব ফাল্গুনী নক্ষত্রে অবস্থান করবে। এই চন্দ্রগ্রহণ বিকেল ৩:২০ মিনিটে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬:৪৬ মিনিটে শেষ হবে। তবে সূতককাল, যা গ্রহণের প্রায় নয় ঘণ্টা আগে শুরু হয়, ৩ মার্চ সকাল ৬:২০ মিনিটে শুরু হবে। সূতককালকে বিশেষভাবে অশুভ সময় ধরা হয়, যখন ঘরে পুজো বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা উচিত নয়, এবং খাওয়া-দাওয়া, ঘুমানো বা অন্য দৈনন্দিন কাজও এড়ানো শ্রেয়। মন্দিরের দরজাও এই সময় বন্ধ রাখা হয়।

নেতিবাচক শক্তি বৃদ্ধির সময় (Lunar Eclipse March)
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সূতককাল নেতিবাচক (Lunar Eclipse March) শক্তি বৃদ্ধির সময়। তাই এই সময় ধ্যান, মন্ত্রপাঠ বা প্রার্থনার মাধ্যমে মানসিক শান্তি বজায় রাখা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষভাবে ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ বা ‘গায়ত্রী মন্ত্র’ জপ করা এই সময় শুভ ফল বয়ে আনে। চন্দ্রগ্রহণ শেষ হলে, ঘর পরিষ্কার করা, স্নান এবং দরিদ্রদের দান দেওয়া অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করা হয়।
চন্দ্রগ্রহণের সময়
চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রশ্মি অপবিত্র হয়ে যায় বলে গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ সতর্কতা নিতে বলা হয়। গ্রহণের সময় ঘুমানো, তামসিক খাবার গ্রহণ বা পুজো করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া, চাঁদের দিকে সরাসরি তাকানো এড়ানো উচিত।

আরও পড়ুন: India vs Pakistan: ভারত-পাকিস্তান করমর্দন বিষয়ে নানা মুনির নানা মত
পৌরাণিক ও জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, পূর্ণিমার দিনে চাঁদের রশ্মি ইতিবাচক শক্তি প্রদান করে, কিন্তু গ্রহণের সময় এটি সংবেদনশীল হয়ে যায়। তাই এই সময় শান্তি বজায় রাখা, ধ্যান ও প্রার্থনার মাধ্যমে নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। চন্দ্রগ্রহণ শেষ হলে পবিত্র গৃহে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং দানের মাধ্যমে শুভ ফলপ্রাপ্তি সম্ভব।


