Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার (Pakistan Crisis) সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পাকিস্তানে। ইরান সংঘাতের জেরে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা খেয়েছে ইসলামাবাদ। এর ফলে দ্রুত ফুরিয়ে আসছে পাকিস্তানের জ্বালানি মজুত। সরকারি সূত্রেই জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে মাত্র ২৮ দিনের পেট্রোল ও ডিজেলের মজুদ রয়েছে। অপরিশোধিত তেলের জোগান টিকবে প্রায় ১০ দিন এবং এলপিজি মজুত রয়েছে প্রায় ১৫ দিনের মতো। ফলে পরিস্থিতি অনেকটাই কোভিড সময়ের সঙ্কটের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
দুর্বল অর্থনীতি (Pakistan Crisis)
পাকিস্তানের অর্থনীতি আগেই দুর্বল (Pakistan Crisis) অবস্থায় ছিল। তার ওপর আন্তর্জাতিক অস্থিরতা নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শরিফ সরকার নানাবিধ পদক্ষেপের কথা ভাবছে। জ্বালানির ব্যবহার কমাতে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন বাড়ি থেকে কাজ চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়েও আলোচনা চলছে, যাতে জ্বালানির ব্যবহার কমানো যায়।

বাড়ছে সীমান্ত উত্তেজনা (Pakistan Crisis)
এদিকে আরেকদিকে বাড়ছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত উত্তেজনা। ইসলামাবাদের অভিযোগ, আফগান ভূখণ্ডে আশ্রয় নেওয়া জঙ্গিরা পাকিস্তানের ভেতরে নাশকতামূলক হামলা চালাচ্ছে। সেই কারণেই ওই ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে পাকিস্তান সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গজ়ব লিল-হক’। তবে তালিবান শাসিত আফগান প্রশাসনের দাবি, পাকিস্তানি বাহিনী সাধারণ মানুষের বসবাসকারী এলাকায় হামলা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন: IND vs ENG T 20 WC: তারকায় ভরা গ্যালারি, বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে হাজির ছিলেন কারা?
অভিযোগের পাল্টা জবাব
এই অভিযোগের পাল্টা জবাবে আফগানিস্তানও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ শুরু করেছে বলে খবর। ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। একদিকে জ্বালানি সঙ্কট, অন্যদিকে সীমান্ত সংঘাত-দু’মুখো চাপে পড়ে এখন কঠিন পরিস্থিতির মুখে পাকিস্তান। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান সংঘাত মিলিয়ে দেশটির সামনে এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


