Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, জলবায়ু সংকট এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বড় সংস্কারের ডাক দিলেন(BRICS Jaishankar)। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারতের ২০২৬ সালের ব্রিকস সভাপতিত্বে আয়োজিত এই বৈঠকে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সম্প্রসারণ, গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের দাবি জানান।
বর্তমানে বিশ্ব একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে (BRICS Jaishankar)
জয়শঙ্কর বলেন, বর্তমান বিশ্ব কেবল বিচ্ছিন্ন সংকটের মুখে নয়, বরং একাধিক চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতাকে পরীক্ষার মুখে ফেলছে। সংঘাত, জলবায়ু বিপর্যয় ও কোভিড-পরবর্তী অর্থনৈতিক ধাক্কায় উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ
গাজা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সেখানে মানবিক সংকট ভয়াবহ আকার নিয়েছে। তিনি “দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি, মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তিপূর্ণ সমাধানের বিশ্বাসযোগ্য পথ” তৈরির আহ্বান জানান। ভারত যে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে সমর্থন করে, সেটিও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য সংঘাতের উল্লেখ
একইসঙ্গে জয়শঙ্কর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য সংঘাত, বিশেষ করে লেবানন, সিরিয়া, সুদান, ইয়েমেন ও লিবিয়ার পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন। হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথে নিরাপদ নৌচলাচলের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
জাতিপুঞ্জ সংস্কারের দাবি (BRICS Jaishankar)
জাতিপুঞ্জ সংস্কারের প্রশ্নে তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী দুই ধরনের সদস্যপদই সম্প্রসারণ করা জরুরি। পাশাপাশি একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে তিনি বলেন, এগুলো আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী।
আরও পড়ুন: UP Storm: ঝড়ে টিনের চালাসহ উড়ে গেলেন ব্যক্তি, ৫০ ফুট দূরে পড়ে গুরুতর আহত!
সন্ত্রাসবাদ নিয়ে জয়শঙ্করের বার্তা (BRICS Jaishankar)
সন্ত্রাসবাদ নিয়ে জয়শঙ্করের বার্তা ছিল স্পষ্ট “কোনও অবস্থাতেই সন্ত্রাসের ন্যায্যতা নেই।” প্রযুক্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সহায়তার ওপর জোর দেন তিনি। ব্রিকস মঞ্চে ভারতের এই অবস্থান আরও ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্বব্যবস্থা গঠনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।



