Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ চেইনের বিজ্ঞাপনী প্রচারে তেল আভিভ ইরানের হামলার রিয়েল ফুটেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা(Egypt Restaurant)। হামলরা ফুটেজের সঙ্গে খাবারের বিজ্ঞাপনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ায় বিতর্ক।
বাস্তব ও বিজ্ঞাপনের নাটকীয় মিল (Egypt Restaurant)
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওর শুরুতে দেখা যায় আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া ও বিস্ফোরণের দৃশ্য। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ দৃশ্য বদলে যায় একটি রান্নাঘরের প্যানে আগুনের শিখায় মাংস গ্রিল করা হচ্ছে। পুরো দৃশ্যটি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছে যাতে যুদ্ধের আগুন ও রান্নার আগুনের মধ্যে নাটকীয় মিল তৈরি হয়। তবে বাস্তব সংঘাতের ফুটেজকে এভাবে ব্যবহার করায় অনেকেই বিষয়টিকে অত্যন্ত অস্বস্তিকর বলে মনে করেছেন।
নজরকাড়া বিপণনে বিভ্রাট
সামাজিক মাধ্যমে রেস্তোরাঁটি “হাটি আহমেদ নাদা” নামে পরিচিত, যা মিশরের একটি জনপ্রিয় চেইন এবং গ্রিলড খাবার ও ঐতিহ্যবাহী ট্রের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু নজরকাড়া বিপণন কৌশল ব্যবহার করতে গিয়ে এবার তারা সমালোচনার ঝড়ে পড়েছে।
‘সম্পূর্ণ সংবেদনহীনতা’ (Egypt Restaurant)
অনেক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, বাস্তব যুদ্ধের দৃশ্য এবং মানুষের দুর্ভোগকে খাবারের বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করা মোটেও সৃজনশীল নয়। একজন লিখেছেন, “যুদ্ধের ফুটেজ দিয়ে রেস্তোরাঁর প্রচার করা সৃজনশীলতা নয়, এটি সম্পূর্ণ সংবেদনহীনতা।” অন্যদের মতে, এই ধরনের প্রচারণা অন্ধকার রসিকতা ও শোষণের সীমারেখা মুছে দেয়।
আরও পড়ুন: Iran Apologises: প্রতিবেশী দেশে হামলা: ক্ষমা চাইল ইরান, আর কোনও হামলা নয়, জানালেন পেজেশকিয়ান
কিছু মানুষ ভিডিওটির পক্ষে (Egypt Restaurant)
তবে কিছু মানুষ ভিডিওটির পক্ষে কথা বলেছেন। তাদের মতে, এটি কেবল গ্রিলিং ও আগুনের নাটকীয়তা দেখানোর জন্য অতিরঞ্জিত একটি ভিজ্যুয়াল রূপক মাত্র। এই বিতর্ক আসলে ইন্টারনেট সংস্কৃতির একটি বড় প্রবণতাকেও সামনে এনে দিয়েছে। এখন প্রায়ই দেখা যায়, সংবাদ ফুটেজ খুব দ্রুতই মিম, বিপণন প্রচারণা বা ভাইরাল কনটেন্টে পরিণত হয়। রেস্তোরাঁটি ইচ্ছাকৃতভাবে চমক সৃষ্টি করতে চেয়েছিল কি না তা স্পষ্ট নয়। তবে সক্রিয় সংঘাতের ছবি ব্যবহার করে খাবারের বিজ্ঞাপন করা যে বড় ঝুঁকিপূর্ণ, এই ঘটনাই তার বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে।



